ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় স্যাটারডে লিগে খেলতে চাইলে বিদেশি ক্রিকেটারদের কোচেস সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক। এই নিয়মের কারণেই বাংলাদেশের কয়েকজন পরিচিত ক্রিকেটারকে ব্যাট হাতে নামার পাশাপাশি কোচিং করাতেও হচ্ছে।
লন্ডনে গিয়ে নাঈম ইসলাম শেষ করেছেন ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) ফাউন্ডেশন কোর্স। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলীও হাতে পেয়েছেন লেভেল টু সার্টিফিকেট। একই নিয়মে এনামুল হক জুনিয়র, জহুরুল ইসলাম অমি ও সাব্বির রহমান রুম্মানও কোচেস কোর্স করেছেন।
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল এরই মধ্যে সম্পন্ন করেছেন লেভেল থ্রি কোর্স। তিনি লন্ডন থেকে জানালেন, “বাংলাদেশের যারাই ইংল্যান্ডে স্যাটারডে লিগে খেলেন, ইসিবির অধীনে কোনো না কোনো একটি সার্টিফিকেট কোর্স করতে হয়। কারণ ক্লাব ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি বয়সভিত্তিক ক্রিকেটারদের কোচিং করাতেও হয়।”
এনামুল হক জুনিয়র আগামী জানুয়ারিতে করবেন লেভেল থ্রি কোর্স। তিনি ও আশরাফুল প্রথম দিকে ইংল্যান্ডে ক্লাব ক্রিকেটে খেলা শুরু করেন। অফ সিজনে ঢাকার অনেক ক্রিকেটার চার মাসের জন্য লন্ডনে গিয়ে এসব ম্যাচ খেলেন। ভারতীয় ও পাকিস্তানি মালিকানাধীন ক্লাবগুলোর পাশাপাশি কিছু ক্লাব পরিচালনা করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতরাও। নিজেদের শখের ক্লাবেই জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটারদের খেলার সুযোগ দেন তারা।
নাঈম ইসলাম জানালেন, “গত বছর কোর্স করার কথা থাকলেও করা হয়নি। এবার ফাউন্ডেশন কোর্সটা করলাম। ইংল্যান্ডের নিয়ম হলো খেলার পাশাপাশি বাচ্চাদের শেখাতে হয়।”
অন্যদিকে আকবর আলী বলেন, “ইংল্যান্ডে খেলার সুবাদে ইসিবির কোর্সটাও করতে পারলাম। এতে গেম প্ল্যান ভালো বোঝা যায়।”
আশরাফুল ব্যাখ্যা করেছেন, কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার জন্য কোচেস কোর্স প্রয়োজন নেই। যেমন সিলেটের তরুণ আরাফাত ভূঁইয়া গত বছর কেন্টে খেলেছেন, এবার খেলবেন ওয়ারউইকশায়ারে। কিন্তু স্যাটারডে লিগে খেলতে হলে কোচিংয়ের সার্টিফিকেট আবশ্যক। ফলে ব্যাট-বলের লড়াইয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা এখন শিশু-কিশোরদের হাতেও তুলে দিচ্ছেন ব্যাট-প্যাড।
