জয়ের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের লিড। সিলেট টেস্টে আইয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় দিন শেষে ৫২ রানে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। সকালে আইয়ারল্যান্ডকে ২৮৬ রানে থামিয়ে দিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮৫ ওভারে এক উইকেটে ৩৩৮ রান। দিনের খেলা শেষে জয় ২৮৩ বলে ১৪ বাউন্ডারি ও চার ছক্কায় ১৬৯ ও মুমিনুল হক ১২৪ বলে পাঁচ বাউন্ডারি ও দুই ছক্কায় ৮০ রান করে অপরাজিত আছেন।
এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৮ উইকেটে ২৭০ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন ব্যাটিংয়ে নেমেছিল সফরকারীরা। এদিন সকালে স্রেফ ১৫ মিনিট টিকতে পেরেছে। তাইজুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ অবশিষ্ট দুই উইকেট তুলে নিয়ে আইরিশদের গুটিয়ে দিয়েছে ২৮৬ রানে। এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার জোড়া ফিফটি তুলে নেয়। তবে সামদানের ফিফটির পর সেঞ্চুরির আগেই বিদায় নেন। আর এক ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় সেঞ্চুরির পর এখন ডাবল সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখছেন।
টেস্ট একাদশে ফেরার ম্যাচ সেঞ্চুরিতে রাঙালেন মাহমুদুল হাসান জয়। ১৯০ বলে করলেন দ্বিতীয় সেঞ্চুরি, দেশের মাটিতে প্রথম। জর্ডান নিলের বলে গালি দিয়ে বাউন্ডারিতে তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন এই ওপেনার। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০২২ সালে করেছিলেন প্রথম সেঞ্চুরি, তিন বছর ও ৩০ ইনিংস পর করলেন দ্বিতীয়টি। এবার বেশ সময় নিয়ে ব্যাটিং করেন তিনি। ৭২ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করার পর আরও সাবধানী ব্যাটিংয়ে পরের পঞ্চাশ করলে ১১৮ বলে। ১৯০ বলে নয় চার ও এক ছক্কায় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন জয়। এর আগে সাদমান ইসলামের বিদায়ে ভাঙল ২৪৮ বল স্থায়ী ১৬৮ রানের উদ্বোধনী জুটি।
বাঁহাতি স্পিনার ম্যাথু হামফ্রিজের বলে কাট করতে চেয়েছিলেন সাদমান। ঠিকঠাক খেলতে পারেননি। ব্যাটের নিচের কানায় লেগে জমা পড়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে। জোরাল আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেন আয়ারল্যান্ড অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবার্নি। তাতে পাল্টায় সিদ্ধান্ত। ১০৪ বলে নয় চার ও এক ছক্কায় ৮০ রান করে ফেরেন সাদমান।
