জাপানের টকাই বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত সকার ফেস্টিভালে অংশ নিয়ে ভালো খেলেছে বিকেএসপি অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল দল। ফুকুওকাতে অনুষ্ঠিত এ আসরে তারা তিনটি ম্যাচ খেলেছে। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক টকাই দলকে ১–০ গোলে হারিয়ে শুরুটা দারুণ করে তরুণ ফুটবলাররা।
দ্বিতীয় ম্যাচে গতবারের চ্যাম্পিয়ন ওকাইয়ামার বিপক্ষে ৫–২ গোলে হেরে গেলেও লড়াই করেছে শেষ পর্যন্ত। শেষ ম্যাচে কাগোশিমার সঙ্গে ২–২ গোলে ড্র করে আসর শেষ করে বিকেএসপি।
শেষ ম্যাচে দুইবার পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে সমতা ফেরায় দলটি। অধিনায়ক ফয়সাল ও অপু গোল দুটি করেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ ম্যাচে বিকেএসপির দৃঢ় মানসিকতা ও ইতিবাচক ফুটবল প্রদর্শন প্রশংসা কুড়িয়েছে আয়োজকদের।
তাদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে আয়োজক কমিটি বিকেএসপিকে আগামী বছরের প্রতিযোগিতার জন্য সুপারিশ করেছে। ফলে ২০২৬ সালের মার্চে জাপানে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক যুব ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতে যাচ্ছে দলটি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, “উন্নত ফুটবল খেলুড়ে দেশের সঙ্গে এই ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ বিকেএসপির ফুটবলারদের মান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।”
দলের কোচিং দায়িত্বে ছিলেন বিকেএসপির প্রধান কোচ হাসান আল মাসুদ এবং জাপানি কোচ কাই তাগুচি। পুরো সফরের অর্থায়ন করেছে বিকেএসপি। বিদেশের মাটিতে খেলে অভিজ্ঞতা অর্জন করার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে বলেও জানিয়েছেন কোচরা।
বাংলাদেশের ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে তরুণদের মানোন্নয়নের জন্য বিকেএসপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এবার জাপানের টকাই বিশ্ববিদ্যালয় সকার ফেস্টিভালে অংশগ্রহণ শুধু খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দিল না, বরং নতুন আসরের আমন্ত্রণও এনে দিল। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলে আরও যোগ্য ফুটবলার সরবরাহ করবে বিকেএসপি।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩


















