বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহাকে অব্যাহতি ও ওপেনার তামিম ইকবালকে বিশ্বকাপ দলে অন্তর্ভুক্ত করতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট সাপোর্টার গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মাহমুদের পক্ষে এ নোটিস পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আল মামুন রাসেল। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচককে এ নোটিস পাঠানো হয়েছে।
নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ক্লাইন্ট মনে করেন এই অযোগ্য কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহা যে কিনা নিজের দেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছে এবং যার ক্যারিয়ারে ওডি আই ক্যারিয়ারে খেলার ম্যাচ সংখ্যা ছিল ৩৫ টি। গড় ছিল মাত্র ২০ দশমিক ৯০ এবং আমাদের দেশের কোচ হওয়ার পূর্বে কোনো দেশের পূর্ণাঙ্গ কোচও ছিল না। তাকে আমাদের দেশের হেড কোচ বানানো হয়েছে। হয়তো কোনো মহলের কমিশনের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য এবং দেশের ক্রিকেটকে শেষ করার জন্য। কারণ উনি কোচ হওয়ার পর থেকে সিনিয়র প্লেয়ারদের ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন। যে পঞ্চ পান্ডবের হাত ধরে এই দেশের ওডিআই র্যাংকিং ৫ নাম্বারে (আসলে হবে ছয় নাম্বার) ছিল, সে পঞ্চ পান্ডবকে দল থেকে বাদ দেয়ার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করে। এই বছরে তার নেতৃত্বে ৫টি ওডি আই সিরিজে আয়ারল্যান্ড ছাড়া বাকি সব সিরিজে পরাজিত হয়েছে এবং সর্বশেষ ইংল্যান্ড, আফিগানিস্থান ও নিউজিল্যান্ড এর কাছে ঘরের মাটিতে পরাজিত হয়েছে।
নোটিসে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘তার ক্লাইন্ট মনে করেন যে, ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক ও ম্যাচসংখ্যায় দ্বিতীয় সেরা অভিজ্ঞ খেলোয়াড় তামিম ইকবাল। তার জায়গা হলো না বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে। এটি একটি ষড়যন্ত্র। এশিয়া কাপে ভরাডুবি হয়েছে এবং সবচেয়ে বেশী ভুগিয়েছে ওপেনিং। নতুন প্লেয়ার তথা তানজিম তামিমকে এই বড় মঞ্চে উঠানো ঠিক হবে না বরং অভিজ্ঞ তামিম ইকবালে ঠিক। একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে তামিমের টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি আছে। তামিম ইকবাল বাংলাদেশের ওয়ানডে ফরম্যাটে সবচেয়ে বেশি ১৪টি সেঞ্চুরির মালিক। লর্ডসের অনার বোর্ডে একমাত্র বাংলাদেশি সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে তামিম ইকবালের নাম আছে। ঘরের মাটিতে তার গড় ৩৭, ঘরের বাইরে ৩৫ এর মত। দুই জায়গাতেই সমান সাতটি করে সেঞ্চুরি আছে তামিমের। সুতরাং আনফিটের অজুহাতে অভিজ্ঞ তামিমকে দলে না রাখা কোচ ও অধিনায়কের ব্যক্তিগত আক্রোশই দায়ী।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩
















