দেশে না ফিরেও ফের আলোচনায় সাকিব

দেশে না ফিরেও ফের আলোচনায় সাকিব

২৪’র ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফের আলোচনায় সাবেক ক্রিকেটার ও আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সাকিব আল হাসান। রোববার রাতে দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ শুভেচ্ছা জানান তিনি।

সাকিবের পোস্টের কিছুক্ষণ পর ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ একটি পোস্ট করেন ফেসবুকে যা সাড়া ফেলে সকলের মাঝে। সাকিব গত বছর অক্টোবরে ঢাকায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলেই টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

সেই ম্যাচের দলে তার নামও ছিল। কিন্তু দেশে ফেরেননি সাকিব। জাতীয় দলে খেলার সুযোগ হাতছাড়ার জন্য এখনও আফসোস ঝরে তার কণ্ঠে। বাংলাদেশের জার্সিতে ফিরতে না পারার কারণ হিসেবে এবার তিনি পরোক্ষভাবে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে দোষারোপ করেছেন।

ক্রিকেটপ্রেমীরা ভারত-পাকিস্তান এশিয়া কাপ ফাইনাল নিয়ে মগ্ন থাকাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাকিব-আসিফের ভার্চুয়াল তর্কযুদ্ধ জমে ওঠে। দুজনেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। সরাসরি কারও নাম না নিলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের ভাষ্যেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে তারা কাকে উদ্দেশ্য করে লিখছেন।

শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে অতীতের এক অনুষ্ঠানের ছবি শেয়ার করেন বিতর্কিত সাকিব। সাকিবের সেই পোস্ট নানা মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এর কিছুক্ষণ পর ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে লেখেন, ‘একজনকে পুনর্বাসন না করায় সহস্র গালি দিয়েছেন আপনারা আমাকে।

পরে তিনি একই পোস্ট তার ভেরিফায়েড অফিসিয়াল পেজেও শেয়ার করেন। যার পাল্টা জবাব হিসেবে সাকিব নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘যাক শেষমেষ কেউ একজন স্বীকার করে নিলেন যে তার  জন্য আমার আর বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দেওয়া হলো না, বাংলাদেশের জন্য খেলতে পারলাম না!’ তার পর যোগ করে লিখেছেন, ‘ফিরবো হয়তো কোন দিন আপন মাতৃভূমিতে, ভালোবাসি বাংলাদেশ।’

বর্তমানে সাকিব বিশ্বজুড়ে নানা টি-টোয়েন্টি লিগে খেলছেন। কয়েক দিন আগেই তিনি অংশ নেন সিপিএলে। বাংলাদেশের হয়ে তার শেষ ম্যাচ ছিল গত বছরের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে।

শেখ হাসিনার সরকার পতনের সময় তিনি কানাডায় ছিলেন। সেই ৫ আগস্ট থেকে আর দেশে ফেরা হয়নি তার। অন্য সাবেক সাংসদ ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মতো সাকিবের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অভিযোগে মামলা হয়েছে-এর মধ্যে রয়েছে হত্যা, শেয়ারবাজার কারসাজি ও দুর্নীতি।

Exit mobile version