গত বছর প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছিল জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) টি-টোয়েন্টি সংস্করণ। সিলেটে হওয়া সেই আসর ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং সফল। ক্রিকেটাররাও আশা করেছিলেন, চলতি বছরও যেন টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ায়। শেষ পর্যন্ত তাদের সেই আশা পূরণ হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হবে দ্বিতীয় আসর।
এবারের এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে তিনটি ভেন্যু যুক্ত করা হয়েছে। সিলেটের পাশাপাশি আরও দুটি মাঠে হবে ম্যাচগুলো। টুর্নামেন্ট শেষে শুরু হবে চার দিনের এনসিএলও।
তবে এবারের আসরে থাকছেন না অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররা। কারণ একই সময়ে তারা ইংল্যান্ড সফরে ব্যস্ত থাকবেন। সফরে পাঁচটি একদিনের ম্যাচ খেলার পর ১৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবে দলটি। ফিরে বিশ্রামে থাকার পরপরই নভেম্বরে রয়েছে যুব এশিয়া কাপ এবং জানুয়ারিতে যুব বিশ্বকাপ।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের ওভারলোড এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে গত আসরে অংশ নেওয়া আজিজুল হাকিম তামিম, জাওয়াদ আবরার, ইকবাল হোসেন ইমন, সামিউন বশির রাতুলদের এবারের এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে দেখা যাবে না। তবে চার দিনের এনসিএলে তাদের খেলা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, যুবাদের বিশ্রাম দেওয়া জরুরি ছিল। কেননা ব্যস্ত সূচি সামলাতে না পারলে তাদের ইনজুরির ঝুঁকি বেড়ে যেত। অন্যদিকে, অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা এবারের টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ পাবেন।
সব মিলিয়ে এবারের এনসিএল টি-টোয়েন্টি ভিন্ন আঙ্গিকেই আয়োজন হতে যাচ্ছে। নতুন ভেন্যুতে জমজমাট প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও তরুণ প্রতিভাদের অভাব এবার অনুভূত হবে বলেই মনে করছেন সমর্থকরা।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩















