এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাহরাইনে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। কিন্তু প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি সাইফুল বারী টিটুর শিষ্যরা। প্রথম ম্যাচে ১-০ গোলে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে লিড নিয়েও ৪-২ গোলের হারের স্বাদ পেয়েছে লাল-সবুজেরা।
গতকাল রাতে বাহরাইনের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমার্ধে দারুণ খেলেছে বাংলাদেশ। ফরোয়ার্ড মিরাজুল ইসলাম জোড়া গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধ শেষে স্কোরলাইন ছিল ২-১, বাংলাদেশ এগিয়ে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। একের পর এক আক্রমণে বাংলাদেশের রক্ষণ ভেঙে ৩ গোল শোধ করে দেয় স্বাগতিক বাহরাইন। শেষ পর্যন্ত ৪-২ ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে তারা।
এই ম্যাচটি ফিফা টায়ার-২ ম্যাচের স্বীকৃতি পেলেও দুই দল ক্লোজড ডোরে খেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মিরাজুলের দুই গোল সত্ত্বেও রক্ষণভাগের দুর্বলতা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে লাল-সবুজের সীমাবদ্ধতা।
আজ সকালে সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশু ম্যাচ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “বাহরাইনে দুটি ম্যাচ খেলার মাধ্যমে ভিয়েতনামের জন্য আমাদের ভালো প্রস্তুতি হয়েছে। এখন ক্যাম্পে ২৪ জন রয়েছে। ২৪ জনই ম্যাচ খেলার সময় পেয়েছে। বাফুফেকে ধন্যবাদ আমাদের এমন সুযোগ করে দেয়ার জন্য।”
আগামীকাল বাংলাদেশ দল ঢাকায় ফিরবে। এরপর কয়েক দিনের অনুশীলন শেষে ভিয়েতনামের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন ফুটবলাররা। সেখানেই অনুষ্ঠিত হবে এবারের এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ বাছাইপর্ব। ঢাকা থেকে পুরো স্কোয়াড যাবে একসঙ্গে, তবে কিউবা মিচেল ও ফাহমিদুল ইতালি থেকে সরাসরি ভিয়েতনামে যোগ দেবেন।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এ বছর প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজন করেছে। যদিও ফলাফল হতাশাজনক, তবুও টিম ম্যানেজমেন্ট মনে করছে এই অভিজ্ঞতা বাছাইপর্বে কাজে লাগবে।
