এশিয়া কাপের ফাইনাল মানেই হাইভোল্টেজ ম্যাচ, তবে ভারত-পাকিস্তানের লড়াই ঘিরে উত্তেজনা এবার শুরু হয়েছে মাঠের বাইরেই। প্রতিযোগিতার নিয়মিত ফটোসেশনে একসঙ্গে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ভারত। ফলে পাকিস্তানের সঙ্গে ট্রফি হাতে ফটোশুট হয়নি সূর্যকুমার যাদবের দলের। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে এই আচরণকে অনেকেই ‘ঠান্ডা যুদ্ধ’ বলেই দেখছেন।
আজ (রোববার) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। ১৯৮৪ সালে এশিয়া কাপ শুরু হলেও চার দশক পেরিয়ে এবারই প্রথমবার ফাইনালে দেখা হচ্ছে দুই দলের। এর আগে গ্রুপপর্ব আর সুপার ফোরে দুইবার মাঠে নামলেও ক্রিকেটের লড়াইয়ের চেয়ে বাইরের ইস্যুই বেশি আলোচনায় এসেছে। ফাইনালের আগে সেই উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল হাত না মেলানোর ঘটনায়।
গ্রুপপর্ব ও সুপার ফোরের ম্যাচের পরও পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে করমর্দন করেননি ভারতীয়রা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলি আগা। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,
“২০০৭ সাল থেকে পেশাদার ক্রিকেট খেলছি, বয়সভিত্তিক ক্রিকেটও খেলেছি। কিন্তু কখনও দেখিনি যে ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়রা হাত মেলাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। আমার বাবা বহু ম্যাচ দেখেছেন, সেও এমন কিছু বলেননি। অতীতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও খারাপ থাকলেও এমন ঘটনা ঘটেনি। ক্রিকেটের জন্য এটি কোনো ইতিবাচক দৃষ্টান্ত নয়।”
বিতর্ক থেমে নেই সেলিব্রেশন নিয়েও। ভারতের বিপক্ষে সুপার ফোরের ম্যাচে বিমান ভূপাতিত করার মতো ভঙ্গিতে উদযাপন করায় ম্যাচ ফির ৩০ শতাংশ জরিমানা গুনতে হয়েছে পাকিস্তানি পেসার হারিস রউফকে। তবে অধিনায়ক আগা এটাকে স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন,
“পেস বোলারদের ভেতরকার আগ্রাসনকে যদি আটকানো হয়, তবে তাদের কার্যকারিতা কমে যাবে। উত্তেজনা বাড়াতে যারা আগ্রাসী উদযাপন করে, আমি সেটাকে খেলারই অংশ হিসেবে দেখি।”
ফাইনালের আগে ফটোসেশন বয়কট নিয়েও অবশ্য বাড়তি প্রতিক্রিয়া দেখাতে চাননি তিনি। পাকিস্তান অধিনায়ক বলেছেন,
“এটা পুরোপুরি তাদের ব্যাপার। আমরা প্রোটোকল মানতে প্রস্তুত। তারা চাইলে আসবে, না চাইলে আসবে না।”
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩














