বাজে পারফরম্যান্সে ক্রিকেটারদের বেতন কমাচ্ছে পিসিবি!

এবার চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের বেতন কমাতে যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে দেশটির কিছু গণমাধ্যম। সিনিয়র ক্রিকেটাররা পিসিবির কাছে আইসিসির লভ্যাংশ দাবি করলে তার অনুমোদন দেয় বোর্ড। তবে কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় বেতন। গেল এক বছর ধরে ক্রিকেটারদের বাজে পারফরম্যান্সের জন্য এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে পিসিবি।

গত এক বছর ধরে বাজে পারফরমেন্সের জন্য তাদের বেতন কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে পিসিবি। দেশটির গণমাধ্যমে খবর এই সিদ্ধান্ত প্রায় পাকাপোক্ত। শিগগিরই আসবে ঘোষণা। বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটাররা পড়বেন এই আওতায়। তবে তাদের মান্থলি বেতন কমানোর প্রক্রিয়া চললেও অন্যদিকে থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ রেখেছে পিসিবি। গেল বছর আইসিসি থেকে পাওয়া লভ্যাংশের অর্থ দাবি করেছিলেন সিনিয়র ক্রিকেটারা। যা প্রদানে সম্মত হয়েছেন বোর্ড কর্তারা।

অবশ্য পিসিবি সূত্র জানায়, আইসিসি থেকে আয় করা অর্থের ৩ শতাংশ ক্রিকেটারদের প্রদান করবে বোর্ড। তবে তারা এই অর্থ পাবেন মাত্র এক বছর। পক্ষান্তরে তাদের মান্থলি স্যালারি কমানোর সিদ্ধন্ত হলে চুক্তির শেষ দিন পর্যন্তই তা বহাল থাকবে। এর ফলে আর্থিকভাবে ক্রিকেটাররাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

তবে ক্রিকেটারদের বিষয়ে কঠোর হলেও মেন্টরদের বেলায় উদার পিসিবি। গেল বছর চ্যাম্পিয়ন্স কাপ সামনে রেখে পাঁচ মেন্টর নিয়োগ দেয় মহসনি নাকভির বোর্ড। সরফরাজ, মিসবাহ, ওয়াকার উইনুস, এবং সাকলাইন মুশতাক দায়িত্ব পালন করলেও, সেখান থেকে সরে দাঁড়ান শোয়েব মালিক।

চার মেন্টরের পেছনে মাসে দুই কোটি রুপ খরচ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। অর্থাৎ সমান ৫০ লাখ পাকিস্তানি রুপি করে বেতন পান তারা। শুরুতে সিদ্ধান্ত ছিলো গেল জানুয়ারিতে শেষ হবে মেন্টরদের দায়িত্ব। তবে বছর শেষ হতে চললেও এখনো তাদের পেছনে অর্থ খরচ করে যাচ্ছে পিসিবি।

পাকিস্তান ক্রিকেটের এমন দৈত নীতি নিয়ে অসন্তোষ আছে খোদ বোর্ডের মাঝেই। অনেকরই দাবি মেন্টররা দায়িত্ব নেয়ার পরও কোনো উন্নতিই হয়নি পাকিস্তান ক্রিকেটের। এই সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভয়াবহভাবে ব্যর্থ হয়েছেন সালমান আঘারা। পাশাপাশি ডেভলপমেন্ট হয়নি ঘরোয়া ক্রিকেটেরও।

Exit mobile version