বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) অনুরোধে জাতীয় দলের জন্য খেলোয়াড় ছাড়তে দেরি করায় সমালোচনার মুখে পড়েছিল বসুন্ধরা কিংস। সেই সমালোচনার জবাব দিতে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদককে তিন পাতার একটি চিঠি দিয়েছে ক্লাবটি। চিঠিতে শুধু নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করাই নয়, বরং জাতীয় দলের কোচিং স্টাফ এবং বাফুফের পেশাদার কর্মীদেরও কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে কিংস।
চিঠির প্রথম দুই পৃষ্ঠায় ফিফার আইন, গত কয়েক বছরে খেলোয়াড় ছাড়ার নানা উদাহরণ এবং ক্লাবের অবস্থান তুলে ধরে কিংস স্পষ্ট করেছে, ফিফা উইন্ডোর বাইরে খেলোয়াড় ছাড়তে তারা বাধ্য নয়। তৃতীয় পৃষ্ঠায় উপসংহারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ফুটবল আইকন হামজা চৌধুরী “লেস্টার সিটি থেকে ফিফা আইন অনুযায়ী ৩১ আগস্ট থেকে জাতীয় দলের জন্য বিবেচিত হবেন” এবং একই নিয়মে কিংসও ৩১ আগস্ট থেকে খেলোয়াড় ছাড়বে।
ক্লাবটির মতে, জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরুর তারিখ ও খেলোয়াড় ছাড়ার নীতি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির জন্য দায়ী ফেডারেশনের বেতনভুক্ত স্টাফরা। তাদের অভিযোগ, ফিফার আইন ও রেগুলেশন নির্বাহী কমিটির কাছে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি, ফলে এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।
কোচিং স্টাফ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কিংস। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, “জাতীয় দলের হেড কোচ ফিফা প্রতি উইন্ডোতেই ১৫-২০ দিন অনুশীলন করতে চায়। জাতীয় দলে এত সময় নিয়ে অনুশীলনের জন্য কোচিং প্যানেলের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কিংস।” ক্লাবটির মতে, এত দীর্ঘ সময় ধরে ক্যাম্প পরিচালনা করা শুধু অপ্রয়োজনীয়ই নয়, বরং ক্লাব ফুটবলের জন্য ক্ষতিকর।
এদিকে ফুটবলসংশ্লিষ্ট অনেকের মতে, এখানে বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসানও দায়মুক্ত নন। কারণ তিনি বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং জাতীয় দল কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান। ৩০ জুলাইয়ের বাফুফের চিঠিতে ১৩ আগস্ট ক্যাম্প শুরুর বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও, তার ক্লাবই ১০ জন খেলোয়াড় ছাড়েনি। ফলে দ্বৈত দায়িত্বে থেকে তার অবস্থান নিয়েও সমালোচনা উঠেছে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩



















