রিজওয়ান-সালমানের সেঞ্চুরিতে দ. আফ্রিকাকে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান

ত্রিদেশীয় সিরিজ

সেঞ্চুরির পর হেলমেট খুলে দর্শকদের অভিবাদনের জবাব দিচ্ছেন রিজওয়ান। পাশে আরেক সেঞ্চুরিয়ান সালমান আঘা।

১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালের আগে ত্রিদেশীয় সিরিজে শিরোপা জয়ের সুযোগ পাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। বুধবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। আগামীকাল শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবা-রাত্রির ফাইনালে বাংলাদেশ সময় বিকাল তিনটায় নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখে হবে পাকিস্তান।

করাচী ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বুধবার রান বন্যার ম্যাচে, টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। টপ অর্ডারের চার ব্যাটারের মধ্যে তিনজনের আশি উর্ধ্ব রানের ওপর ভর করে ৫ উইকেটে ৩৫২ রানের সংগ্রহ পায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

দলীয় ৫১ রানে ওপেনার টনি জি জর্জি ব্যক্তিগত ২২ রানে ফিরে গেলে দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক টেম্বা বাভুমার সাথে রানের ঝড় তোলেন ম্যাথিউ ব্রিটজকে। দলীয় ১৭০ রানে বাভুমা ফেরেন ব্যক্তিগত ৮২তে রান আউটের শিকার হয়ে।

পরে ম্যাথিউ ব্রিটজকের ৮৩, উইকেটরক্ষক ব্যাটার হেইনরিচ ক্লাসেনের ইনিংস সর্বোচ্চ ৮৭, কাইলে ভেরেন্নের অপরাজিত ৪৪, করবিন বোশের অপরাজিত ১৫ ও অতিরিক্ত ১৭ রানের সুবাদে ৫ উইকেট হারিয়ে করাচি স্টেডিয়ামে চতুর্থ সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও ম্যাচ শেষে তাদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহটা পাঁচ নাম্বারে নেমে গেছে।

কিন্তু এই মাঠেই পাকিস্তানের আগের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিলো ৩৫৩/৬ রানের। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার দেয়া ৩৫৩ রানের টার্গেটাও ছিলো পূরণীয়। যা তারা ৬ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই টপকে যায়। করাচির এই মাঠেই ৩৭৪/৪ রানের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোরটি ভারতের। দুইয়ে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর ৩৬০/৪।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ৯১ রানে তিন উইকেট হারায় পাকিস্তান। আউট হন বাবর আজম (২৩), সৌদ শাকিল (১৫) ও ফখর জামান (৪১)। এর মধ্যে দলীয় ও ৮৭ ও ৯১ রানে শাকিল ও ফখর আউট হলে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। সেখান থেকে ২৬০ রানের জুটি গড়ে দলকে সহজ জয় এনে দেন রিজওয়ান ও সালমান আঘা।

সালমান ১০৩ বলে ১৩৪ রান করে আউট হলেও রিজওয়ান ১২৮ বলে অপরাজিত ১২২ রানের সাথে দলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন। অবশ্য পাকিস্তানের জয়সূচক বাউন্ডারি এসেছে তৈয়ব তাহিরের ব্যাটে। ৪৯তম ওভারের ৫ম বলে এনগিডির বলে সালমান আউট হওয়ার পর উইকেটে নেমেই বাউন্ডারি হাকিয়ে পাকিস্তানকে জয় এনে দেন তৈয়ব তাহির।

Exit mobile version