স্পেনের দাপুটে ফুটবলের সামনে রীতিমতো উড়ে গেলো ক্রোয়েশিয়া। বার্লিনের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে বি-গ্রুপের ম্যাচে প্রথমার্ধেই তিন গোল তুলে নেয় ইউরোতে যৌথভাবে সর্বাধিক তিনবারের চ্যাম্পিয়ন স্পেন।
২৯ মিনিটে আলভারো মোরাতা লা ফুরিয়া রোজাদের হয়ে প্রথম গোল করেন। এর তিন মিনিট পরই ব্যবধান বাড়ান ফাবিয়ান রুইজ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন দানি কারভাহাল।
গোলের বিচারে স্পেনের সামনে পাত্তা না পেলে বল দখলে এগিয়ে ছিলো লুকা মদ্রিচের দল। অথচ স্পেনের কৌশল হচ্ছে বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের সীমানায় আক্রমণে যাওয়া। এই ম্যাচে তার ব্যত্যয় ঘটিয়ে গোল করতেই বেশি মনোযোগী ছিলো লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।
বলা হচ্ছিলো এবারের ইউরোতে এটিই প্রথম হাইভোল্টেজ ম্যাচ। কিন্তু সেই ম্যাচে স্পেনের সামনে অসহায় ছিলো ক্রোয়েশিয়া।
ম্যাচের ৮০তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল শোধের সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি ক্রোয়েশিয়া। রদ্রির ফাউলে পেনাল্টি পেলেও ব্রুনো পেতকোভিচের শট রুখে দেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমোন। ফিরতি বলে ঘুরে আবারও পেতকোভিচের কাছে আসলে তিনি বল জালে পাঠালেও ভিএআরে সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। কেননা বল রিসিভ করার সময়ে অফসাইড পজিশনে ছিলেন পেতকোভিচ।
এবারের ইউরোতে ‘বি-গ্রুপ’কে বলা হচ্ছে ডেথ গ্রুপ বা মুত্যকূপ। কেননা ইউরোর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইতালিও আছে এই গ্রুপে।
এই ম্যাচে জয় পাওয়ায় স্পেন যেমন পরের রাউন্ডের জন্য এগিয়ে রইলো বিপরীতে চাপে পড়লো ক্রোয়েশিয়া।
এই ম্যাচে লামিন ইয়ামাল সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ইউরো খেলার রেকর্ড গড়লেন। ১৬ বছর ৩৩৮ দিনে ইউরো ম্যাচ খেলার দিন করেছেন একটি অ্যাসিস্টও।
আবার পর পর তিন আসরে নির্দিষ্ট একটি দলের বিপক্ষে গোলের রেকর্ড গড়েন স্প্যানিশ অধিনায়ক আলভারো মোরাতা। ২০২৪ আসরের আগে ২০২০ এমনকি ২০১৬ আসরেও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে গোল আছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদে খেলা এই স্ট্রাইকারের।
