মিরপুরে উইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশ যখন ২০০ রানের আগেই গুটিয়ে যাচ্ছিল। ঠিক তখন নয়ে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেন স্পিনার রিশাদ হোসেন। শেষ দিকে ১৪ বলে তিনটি করে চার ও ছক্কায় অপরাজিত ৩৯ রান করেন। ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট ২৭৮.৫৭। অথচ সেই রিশাদকে সুপার ওভারে ব্যাটিংয়ে নামায়নি বাংলাদেশ। এমন ভুল সিদ্ধান্তে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
ফলে টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কেবল অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও কোচ ফিল সিমন্স। অন্যরা যেখানে রানের জন্য ধুঁকছে, সেখানে আগ্রাসী রিশাদকেই তো প্রয়োজন ছিল সুপার ওভারে। কিন্তু তাকে নামাল না বাংলাদেশ।
হারের পর রিশাদকে ব্যাটিংয়ে না নামানোর কারণ জানতে চাওয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে আসা সৌম্য সরকারের কাছে। জবাবে বাঁ-হাতি এই ওপেনার বলেন, ‘ওটা কোচ আর অধিনায়কের পরিকল্পনা ছিল। তাদের পরিকল্পনার একটা অংশ ছিল এটা। তারা চিন্তা করেছে যে মেইন ব্যাটসম্যানদের পাঠাবে।’
এখানেও ডানহাতি-বাঁহাতি কম্বিনেশন মেলানো হয়েছে বলে জানান সৌম্য, ‘এটা নিয়ে আমরা সবাই চিন্তা করিনি, কোচ আর অধিনায়কের হাতে ছিল। আমরা জানতাম না যে আকিল হোসেন বল করবে। যদি আমরা দুজন বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান নেমে যেতাম এবং তখন কোনো অফ স্পিনার আসতো, তাহলে বিপদে পড়তাম। এজন্যই বাঁহাতি-ডানহাতি কম্বিনেশন রাখা হয়েছিল। আপনি ওদের ক্ষেত্রেও দেখবেন, ওরাও কিন্তু বাঁহাতি-ডানহাতি মিলিয়েই ব্যাটিং করেছে।’
৫ বলে ৬ রান করতে না পারার পেছনে উইকেটের দায় দিয়ে এই তারকা ব্যাটার বলেন, ‘আমার জন্য এটা ব্যর্থতা। একজন বাঁ-হাতি স্পিনার ছিল। আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে একটা বাউন্ডারি আদায় করতে পারব। তবে এটাও ঠিক যে উইকেটটা সহজ ছিল না, সহজে চার-ছক্কা মারার মতো ছিল না। বলটা অনেক পুরোনো হয়ে গিয়েছিল।’
‘৫০ ওভারের পর বল মারলেও যাচ্ছিল না। বড় হিট করতে গেলে উইকেটেরও সাহায্য লাগে। বলটা একটু স্লো আসছিল এবং টার্ন ছিল অনেক বেশি। পরেরবার যদি এমন উইকেট থাকে, তাহলে সেভাবেই অনুশীলন করতে হবে যে কীভাবে ছয় মারা যায়’, আরও যোগ করেন সৌম্য।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩
















