অস্ট্রেলিয়ার সুপার এইট আগেই নিশ্চিত ছিলো। কিন্তু স্কটল্যান্ডের জয়-পরাজয়ের ওপর নির্ভর করছিলো ইংল্যান্ডের ভাগ্য। এমন সমীকরণে স্কটল্যান্ডকে ৫ উইকেটে পরাজিত করে অস্ট্রেলিয়া। ৫ উইকেটে স্কটল্যান্ডের করা ১৮০ রান দুই বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই টপকে যায় অস্ট্রেলিয়া।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের যথেষ্ট নিবেদন নিয়ে খেলবেন না; এমন প্রশ্ন আগেই উঠেছিলো। ফলে এই ম্যাচের দিকে যে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক চোখ থাকবে সে কথা নতুন করে না বললেও চলে। এমন একটা ম্যাচে ১৮১ রানের টার্গেট নিয়ে খেলতে নেমেই হোচট খায় অস্ট্রেলিয়া।
মাইকেল লিস্কের করা প্রথম ওভারে মাত্র দুই রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে বিদায় নেন ডেঞ্জারম্যান ওয়ার্নার। ব্রাড হুইলকে তুলে মারতে গিয়ে বেরিংটনের তালুবন্দী হন ওয়ার্নার। এই ওভারে আসে মাত্র এক রান।
অবশ্য পরের তিন ওভারে তা পুষিয়ে নেন ওপেনার ট্রাভিস হেড ও অধিনায়ক মিচেল মার্শ জুটি। তুলে নেন ১১, ৯ ও ১১ রান। অবশ্য ৫ম ওভারের তৃতীয় বলেই জীবন পান ব্যক্তিগত ১৭ রানে থাকা ট্রাভিস হেড। ক্রিস সোলের বলে ক্যাচ দিলেও তা ফেলে দেন মাইকেল জোন্স। ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ জোন্স মাত্র দুই রান করে আউট হয়েছিলেন। এর মধ্যে যোগ হলো হেডের ক্যাচ ফেলে দেয়ার ঘটনা।
ষষ্ঠ ওভারের শুরুতে সাফইয়ান শরিফের বলে ফিরে যান অজি অধিনায়ক মার্শ। মার্ক ওয়াটের বলে বোল্ড হয়ে অল্প সময়ের ব্যবধানেই আউট হন ম্যাক্সওয়েলও।
নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে দলীয় ৬০ রানে তৃতীয় উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়া এবার ভয়ঙ্কর রুপে দেখা দেয়। ওপেনার ট্রাভিস হেডের সাথে জুটি গড়ে মার্কাস স্টয়নিস স্কটিশ বোলারদের ওপর দিয়ে ঝড় বইয়ে দেন। একই সাথে বল ও রানের ব্যবধান একেবারে হাতের নাগালে নিয়ে আসেন।
বিপজ্জনক এই জুটি দলকে নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে আসার পর বিদায় নেন। ৪৯ বলে ৬৮ রান করা হেডের পর ২৯ বলে ৫৯ রান করে আউট হন স্টয়নিস। এই জুটির বিদায়ের পর ৬ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ছিলো ১৮ বলে ২৬ রান। যা হেসেখেলেই তুলে নেয় টিম ডেভিড ও ম্যাথু ওয়েড জুটি। অবশ্য ওয়েড ছিলেন দর্শকের ভূমিকায়। মারমুখি ডেভিড
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩
















