ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায় ছিলেন তাওহিদ হৃদয়। কিন্তু না। প্রথম টেস্টের একাদশে সুযোগ না পাওয়া মিডল অর্ডার ব্যাটারকে রাখা হয়নি দ্বিতীয় টেস্টে। দল থেকে বাদ পড়ার পরদিনই ডিপিএলে ঝড়ো সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছেন হৃদয়।
ঢাকা আবাহনীর হয়ে মাত্র ৮৪ বলে ১১টি বাউন্ডারি ও ৬৫টি ছক্কায় ১২৫ রান করেন। হৃদয়ের সেঞ্চুরির দিনে রূপগঞ্জ টাইগার্সকে ১৪০ রানে হারিছে ঢাকা আবাহনী।
ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে আবাহনীকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রুপগঞ্জ টাইগার্স। এনামুল হক বিজয় এবং নাঈম শেখের উদ্বোধনী জুটিতে দারুণ শুরু করে আবাহনী। দুজনের জুটি থেকে আসে ৪৬ রান। ২৯ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরে যান বিজয়। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে জাকের আলী অনিককে নিয়ে এগোতে থাকেন নাঈম শেখ। ভালো শুরু পেলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি নাঈম। ৫৫ বলে ৩১ রান করে বিদায় নেন। এরপর দ্রুত আউট হয়ে গেছেন আফিফ হোসেন ধ্রুবও। ১৪ বলে ৭ রান করেন তিনি।
এরপর জাকের আলি ও তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে এগোতে থাকে আবাহনীর ইনিংস। দুজনের জুটি থেকে আসে ১৪০ রান। জাকের শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরির আক্ষেপ (৯৫ বলে ৭৮ রান) নিয়ে ফিরলেও তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়েছেন হৃদয়। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৮৪ বলে ১২৫ রান করে। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ১১ চার ও ছয় ছক্কায়। হৃদয়কে শেষ দিকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ২৬ বলে ৪৩ রান করেছেন টাইগার এই অলরাউন্ডার। ফলে ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩২০ রান তোলে আবাহনী।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে আবাহনীর অধিনায়ক মোসাদ্দেক ও নাহিদুল ইসলামের বোলিং তোপে ৪৩.২ ওভারে ১৮০ রানে অলআউট রূপগঞ্জ। বল হাতে মোসাদ্দেক ও নাহিদুল তিনটি করে উইকেট নেন।
