ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ২০২৫ ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই পরাশক্তি চেলসি ও পিএসজি। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ফাইনাল শুধুমাত্র গৌরব বা শিরোপার লড়াই নয়, বরং রয়েছে বিশাল এক আর্থিক পুরস্কারের প্রতিযোগিতাও। জয়ী দলের জন্য নির্ধারিত হয়েছে ৪০ মিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত বোনাস।
সেমিফাইনালে চেলসি ২-০ গোলে হারিয়েছে ফ্লুমিনেন্সেকে, অন্যদিকে পিএসজি ৪-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। চেলসি তাদের দ্বিতীয় ক্লাব বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে নামছে, আর পিএসজি চাইছে প্রথমবারের মতো এই ট্রফি ঘরে তুলতে। তাও আবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরপরই।
পুরস্কারের অঙ্কে নজর কাড়ছে এই টুর্নামেন্ট। ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ২০২৫-এ অংশগ্রহণকারী ৩২টি দলের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১ বিলিয়ন ডলারের তহবিল। যার মধ্যে ৪৭৫ মিলিয়ন ডলার পারফরম্যান্স-ভিত্তিক ইনসেনটিভ এবং ৫২৫ মিলিয়ন ডলার অংশগ্রহণ ফি।
চেলসি এর মধ্যেই অর্জন করেছে মোট প্রায় ৮৯.৫ মিলিয়ন ডলার। যার মধ্যে রয়েছে—অংশগ্রহণ ফি: ১৩.৭৫ মিলিয়ন ডলার ,গ্রুপ পর্বে জয়: ৪ মিলিয়ন ডলার, শেষ ষোলোয় উত্তরণ: ৭.৫ মিলিয়ন ডলার, কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেই: ১৩.১২৫ মিলিয়ন ডলার, পালমেইরাসকে হারিয়ে: ২১ মিলিয়ন ডলার এবং ফ্লুমিনেন্সে কে হারিয়ে ফাইনালে উঠে: ৩০ মিলিয়ন ডলার। ফাইনালে জিতলে চেলসির মোট উপার্জন দাঁড়াবে ১২৯.৫ মিলিয়ন ডলার।
পিএসজি-ও পিছিয়ে নেই। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তারা পেয়েছে ৩২.০৫ মিলিয়ন ডলার অংশগ্রহণ ফি। ফাইনালে ওঠার আগ পর্যন্ত তাদের মোট আয় ১০৭ মিলিয়ন ডলার, আর ফাইনালে জিতলে তা বাড়বে ১৪৭ মিলিয়ন ডলারে।
এই টুর্নামেন্ট শুধুমাত্র সম্মানের নয়, বরং আর্থিক দিক থেকেও ক্লাবগুলোর জন্য বিশাল সুযোগ। ট্রান্সফার উইন্ডো চলাকালীন সময়ে এমন একটি অঙ্ক যে কোনও ক্লাবের স্কোয়াড গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।
সবকিছু মিলিয়ে, এই সোমবারের ফাইনাল শুধুমাত্র ট্রফির লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই। এটা হতে যাচ্ছে সম্মান, অর্থ, এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনার এক বিশাল মঞ্চ।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩




















