গামিনী ডি সিলভা! যিনি মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের প্রধান কিউরেটর হিসেবে বেশি পরিচিত! মিরপুরের উইকেট আর গামিনীকে নিয়ে সমালোচনার শেষ নেই ক্রীড়াঙ্গনে! বিদেশি দলগুলো ছাড়াও জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা দীর্ঘ দিন ধরেই এই উইকেট নিয়ে সমালোচনা করে আসছেন!
অবশেষে শেষ থামছে গামিনী ডি সিলভা অধ্যায়। একপ্রকার বিরক্ত হয়েই মিরপুর থেকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে গামিনীকে। হোম অব ক্রিকেটের উইকেটের ওপর বিরক্ত বাংলাদেশ ক্রিকেটর বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। গত সোমবার মিরপুরের উইকেট দেখছেন বিসিবির প্রধান।
এরপর পিচ কিউরেটরকে ডেকে এনে খুঁটিনাটি বোঝার চেষ্টা করছেন বুলবুল। বাংলাদেশ ক্রিকেটে এই দৃশ্য বোধহয় এই প্রথম। বিসিবির প্রধান জানান, আমরা উইকেটটা কেন বানাই? ভালো ক্রিকেট দেখার জন্য। কিন্তু এত বিতর্কের পরও মিরপুরে একযুগ পার করা গামিনির চুক্তি সম্প্রতি বাড়ানো হয়েছে আরও একবার।
তবে শেষ পর্যন্ত মিরপুরে থাকা হচ্ছে না তার। বিসিবি সভাপতি বলেন, উইকেট যদি একজন ক্রিকেটার বা দলের মানোন্নয়নে প্রধান কারণ হয়, আমরা কোথাও পাশমার্ক পাবো না। আমাদের চট্টগ্রাম, সিলেট, বগুড়া, রাজশাহীর উইকেট বেশ ভালো। সেগুলো পরিচর্যা করতে হবে এবং খেলাও হওয়া দরকার।
আমাদের বড় ম্যাচগুলো হয় মিরপুরে। এইখানকার উইকেট একেবারেই স্ট্যান্ডার্ডের নিচে। দীর্ঘদিন ধরে এসিসি আইসিসিতে কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আমিনুল ইসলাম বুলবুল বিরক্ত মিরপুরের উইকেটের মাটি নিয়েও। তার মতে, কালো মাটির উইকেট টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য অনেক বড় বাধা।
মিরপুরের মাটিয়ে নিয়ে আমিনুল ইসলাম বুলবুল, এই উইকেটের মাটি হচ্ছে কালো। আর টি-টোয়েন্টিতে একটি বল ব্যবহৃত হয়। খেলা শুরুর একটু পরই বলটি মাটির সাথে মিশে কালো হয়ে যায় তখন ব্যাটারদের ব্যাটিং করা বেশ কষ্ট হয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিসিবির পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান মিঠু খেলা লাইভকে বলেন, বিষয়টা আমিও শুনেছি। তবে এ বিষয় নিয়ে বিসিবি সভাপতি নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের সাথে আলোচনা করেনি।
