অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাকে সবার আগে নাহিদ রানা

গায়ের রং, শারীরিক গঠন আর উচ্চতায় দু-জনের মধ্যে বেশ মিল! একজন অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাকে দ্রুততম মানব। আর একজন ২২ গজের উইকেটে! বলছিলাম, বাংলাদেশের দ্রততম পেসার নাহিদ রানা আর জ্যামাইকার কিংবদন্তি দৌড়বিদ উসাইন বোন্ডের কথা!

নাহিদের উচ্চতা ৬ ফুট ২ ইঞ্চি আর বোল্টের ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি। গত বছর অভিষেকে পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডিতে ঘণ্টায় ১৫২ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করে এই রেকর্ডের মালিক বনে যান নাহিদ রানা।

অন্যদিকে অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাকে অনেক আগে থেকেই উসাইন বোল্ট বিশ্বসেরা! তবে বাংলাদেশের পেসার রানা এবার অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাকে ১৬০০ মিটার দৌড়ে উসাইন বোল্টকে মনে করিয়ে দিলেন। ফিটনেস পরীক্ষার অংশ হিসেবে জাতীয় স্টেডিয়ামে রোববার ভোরে হাজির হন জাতীয় দলের পুলে থাকা ক্রিকেটাররা।

সেখানকার অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাকে হলো তাদের ফিটনেস যাচাই। আর যে পরীক্ষায় সবার চেয়ে ভালো করেছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। গত দুই বছর ধরেই অবশ্য অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাকে ফিটনেস পরীক্ষার এই ধারা চালু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ব্যস্ত মৌসুমের আগে ক্রিকেটারদের ফিটনেস যাচাই করা হয় এভাবেই।

সামনে আছে জাতীয় দলের ঠাসা সূচি। আসন্ন এশিয়া কাপের প্রাথমিক দলে থাকা ক্রিকেটারদের পাশাপাশি টেস্ট পুলের ক্রিকেটাররাও ছিলেন এই পরীক্ষায়। এদিন ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ছিলো এই সেশন।

তবে ক্রিকেটাররা স্টেডিয়ামে যান সাড়ে ৬টায়, ট্রেনার নাথান কেলির অধীনে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলে তাদের এই সেশন। চলতি বছরের এপ্রিলেও একই ভেন্যুতে ফিটনেস টেস্ট দিয়েছিলেন জাতীয় দল ও আশপাশের ক্রিকেটাররা।

তখন ফিজিক্যাল পারফরম্যান্স অ্যাসেসমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় ক্রিকেটাররা দৌড়েছিলেন ৪০০ মিটারের অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাকে, চার চক্করে মোট ১,৬০০ মিটার।

Exit mobile version