আজ ২ জুলাই—বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিকতা দিবস। এই দিনে বিশ্বজুড়ে ক্রীড়া সাংবাদিকদের অবদানকে স্বীকৃতি ও শ্রদ্ধা জানাতে পালিত হয় বিশেষ এই দিবসটি। ১৯২৪ সালের এই দিনে ফ্রান্সে গঠিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থা (এআইপিএস)। সেই ঐতিহাসিক দিনের স্মরণেই প্রতি বছর ২ জুলাই পালিত হয় বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিকতা দিবস।
বাংলাদেশে এআইপিএস-এর একমাত্র স্বীকৃত সংগঠন হলো বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি (বিএসপিএ)। ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এই দিবসটি উদযাপন করে আসছে এআইপিএস ও তার সদস্য সংস্থাগুলো।
ক্রীড়া সাংবাদিকতা বিশ্বে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। ১৮২০-৩০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীড়া সাংবাদিকতার সূচনা হয় ঘোড়দৌড় ও বক্সিং নিয়ে লেখা দিয়ে। আজ তা বিস্তৃত হয়ে পড়েছে সব ধরনের খেলাধুলায়—ক্রিকেট, ফুটবল, অলিম্পিক থেকে শুরু করে ই-স্পোর্টস পর্যন্ত। ক্রীড়া সাংবাদিকরা কেবল খেলার খবরই তুলে ধরেন না, বরং খেলাধুলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নানা দিক—ব্যাকস্টোরি, বিশ্লেষণ, সমালোচনা ও তথ্যনির্ভর প্রতিবেদনেও রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি আজ নিজেদের কার্যালয়ে কেক কাটার মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করবে। এছাড়াও বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠনেও আয়োজন রয়েছে সীমিত পরিসরে।
বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিকতা দিবস কেবল উদযাপনের দিন নয়, বরং পেশাদার ক্রীড়া সাংবাদিকদের জন্য এটি আত্মমূল্যায়নের দিনও। নতুন প্রযুক্তি ও মিডিয়ার পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে যেভাবে ক্রীড়া সাংবাদিকতা রূপ নিচ্ছে, তাতে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও গভীর বিশ্লেষণের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩




















