দলের সেরা তারকাদের নিয়ে এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করতে যাচ্ছে ভারত। এশিয়া কাপে শুভমান গিলকে ছাড়াই দুবাইয়ে যাচ্ছে ভারত। টি-টোয়েন্টিতে ওপেনিংয়ে থাকছেন অভিষেক শর্মা ও স্যাঞ্জু স্যামসন। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির ইংল্যান্ড সিরিজেও এই দুজনই ওপেন করেছেন। তাই ৯ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বরের এশিয়া কাপের জন্য নির্বাচকদের বিবেচনা থেকে বাদ পড়তে পারেন গিল।
তবে যদি জায়গা পানই, তবে সেটা হবে বিকল্প ওপেনার হিসেবে। একই যুক্তিতে গত আইপিএলে সাড়ে পাঁচশর বেশি রান করা যশস্বী জয়সওয়ালও কাটা পড়ছেন। খবর ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু ও ক্রিকবাজের। ক্রিকবাজ বলছে,‘দল বাছাইয়ের জন্য মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) মুম্বাইয়ে মিটিংয়ে বসবেন ভারতের নির্বাচকরা।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের লো স্কোরিং পিচ বিবেচনায় লখনৌ সুপার জায়ান্টসের শ্রেয়াস আইয়ার ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জিতেশ শর্মাকে দলে ফেরাতে ইচ্ছুক তারা। দুজনের কেউই গৌতম গম্ভীর দায়িত্ব নেওয়ার পর একটিও ম্যাচ পাননি। গত আইপিএলে আইয়ার ৬০৪ রান করেছিলেন, তার জন্য কপাল পুড়তে পারে ইংল্যান্ড সিরিজে মিডলঅর্ডারে খেলা শিভম দুবে কিংবা রিংকু সিংয়ের মধ্যে যে কোনো একজনের।
আর বেঙ্গালুরুর শিরোপা জেতার পথে ২৬১ রান করা উইকেটকিপার জিতেশ দলে ঢুকলে ধ্রুব জুরেল বিবেচিত হবেন না, ইংল্যান্ড সিরিজে দ্বিতীয় উইকেটকিপার হিসেবে ডাক পেয়েছিলেন তিনি। চোট থেকে ফেরা দলপতি সূর্যকুমার যাদব ফিটনেস টেস্টে পাস করেছেন। অর্থাৎ ভারতের এশিয়া কাপের দলে জায়গা পেতে কোনো বাধা রইল না তার। ভারতের টি-২০ সেটআপে চার নম্বরে ব্যাট করেন তিনি। তিন নম্বরে খেলেন তিলক বার্মা।
টি-২০ দলে হার্দিক পান্ডিয়ার স্থান নিয়ে কখনও শঙ্কা তৈরি হয়নি। গত বছর ভারতের বিশ্বকাপ জেতার পথে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন তিনি শুধু ব্যাট হাতে নয়, বল হাতেও। এছাড়া ভাইস-ক্যাপ্টেন অক্ষর প্যাটেল থাকছেন দলে। বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বল হাতেও খুবই কার্যকরী তিনি। স্পেশালিস্ট স্পিনার হিসেবে থাকছেন কুলদীপ যাদব, বরুণ চক্রবর্তী ও রবি বিষ্ণু।
ওয়ার্কলোড ম্যানেজ করে চলা জাসপ্রিত বুমরাহ নাকি এশিয়া কাপে খেলার ইচ্ছার কথা নির্বাচকদের জানিয়েছেন। অর্থাৎ তিনিই নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভারতের পেস অ্যাটাককে। বুমরাহর মতো আর্শদীপ সিংয়েরও এশিয়া কাপে খেলা নিশ্চিত। মোহাম্মদ শামি না থাকায় প্রসিধ কৃষ্ণা কিংবা হার্শিত রানাদের কারো সুযোগ মিলতে পারে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















