আফগানিস্তানকে টি-টোয়েন্টিতে ৩-০তে বাংলাওয়াশ করেও ওয়ানডেতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ হারল টাইগাররা। সিরিজে সমতায় ফেরার লক্ষ্যে ১৯১ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৮.৩ ওভারে ১০৯ রানে গুটিয়ে যায় মেহেদী হাসান মিরাজের দল। ফলে ৮১ রানে হেরে ওয়ানডে সিরিজ হাত ছাড়া বাংলাদেশের।
এদিন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৪ রান আসে তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাট থেকে। এছাড়া সাইফ হাসান ২২, জাকের আলী ১৮ ও নুরুল হাসান করেন ১৫ রান। আর কেউ আফগান বোলারদের বিপক্ষে দাঁড়াতেই পারেনি। আফগান স্পিনার রশিদ ৮.৩ ওভারে ১৭ রান দিয়ে একাই নেন ৫ উইকেট। এছাড়া আজমতউল্লাহ নেন তিনটি উইকেট।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে সব উইকেট হারিয়ে ১৯০ রান তোলে আফগানিস্তান। বাংলাদেশ পাওয়ার প্লেতে আফগানিস্তানের দুই উইকেট তুলে নেয়। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ওপেনার রাহমানউল্লাহ গুরবারজকে ১১ রানে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন তানজিম হাসান সাকিব। নবম ওভারে সেদিকউল্লাহ আতাল ৮ রানে ফেরান তানভির। এরপর ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান এক প্রান্ত আগলে রাখলেও আরেক প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় আফগানরা।
রহমত শাহ ৯ রান করে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন। অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শাহিদি ৪ ও আজমতউল্লাহ ওমারজাই শূণ্য রানে বিদায় নেন। তবে দলের বিপদে একাই লড়াই করেন ইব্রাহিম। এরপর দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে মোহাম্মদ নাবিকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন ইব্রাহিম। তবে ফের আক্রমণে ফিরে মোহাম্মদ নবিকে ২২ ফেরান সাকিব। ফলে ভাঙে ৬৩ বল স্থায়ী ৩৯ রানের জুটি। ২৯.১ ওভারে আফগানদের রান তখন ৬ উইকেটে ১৫৪। এরপর নানগেয়ালিয়া খারোটে ১৩ রান করে রান আউট।
পরে আফগান শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। রশিদকে ১ রানে ফিরিয়ে দেওয়ার পর সেঞ্চুরির আগেই ইব্রাহিমকে ফেরান বাংলাদেশ অধিনায়ক। ভাঙে ৩৮ বলে ৩৯ রানের জুটি। ইব্রাহিম আফগানদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯৫ রান করেন। তার ১৪০ বলের ইনিংসে ছিলো তিন চার ও এক ছক্কা। শেষ দিকে এএম গাজানফার ১৮ বলে ২২ রান করেন। বল হাতে বাংলাদেশের পক্ষে মিরাজ ১০ ওভারে ৪২রানে তিনটি এছাড়া তানজিম ও রিশাদ নেন দুটি করে উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
আফগানিস্তান: ৪৪.৫ ওভারে ১৯০/১০
বাংলাদেশ: ২৮.৩ ওভারে ১০৯/১০
আফগানিস্তান ৮১ রানে জয়ী
