আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বিসিবি’র নির্বাচন। ক্লাব কর্মকর্তাদের আনাগোনা বেড়ে গেছে বিসিবিতে। সবার ব্যস্ততা বিসিবির নির্বাচন ঘিরে। যদিও নির্বাচনের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। বিসিবির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩০ সেপ্টেম্বর।
বোর্ডে ২৫টি পরিচালক পদ থাকলেও মূল আলোচনায় ‘সভাপতি’ পদ। বর্তমান পরিচালকরাও নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছেন। বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ২৫ সদস্যের। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সরাসরি মনোনীত পরিচালক দুজন। বাকি ২৩ জন তিন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হবেন।
ক্যাটাগরি-১ থেকে ১০, ক্যাটাগরি-২ থেকে ১২ এবং ক্যাটাগরি-৩ থেকে একজন নির্বাচিত হবেন পরিচালক। বিসিবির পরিচালকরা সরাসরি নির্বাচিত করবেন সভাপতি এবং সিনিয়র সহসভাপতি ও সহসভাপতিকে।
কে হবেন বিসিবি সভাপতি? বাংলাদেশ ক্রিকেটে তামিম ইকবাল অধ্যায় শেষ হয়েছে আগেই, অসুস্থতার পর ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরা নিয়েও আছে শঙ্কা। আবার হার্ট অ্যাটাক থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর থেকে ক্রীড়াঙ্গনে বেশ সক্রিয় তিনি। এর মাঝেই ক্রিকেট পাড়ায় গুঞ্জন বিসিবিতে আসছেন তামিম।
শোনা যাচ্ছে কেবল পরিচালক পদে নয়, সভাপতি হওয়ার লক্ষ্যেই কাজ করছেন তামিম। এখন পর্যন্ত যে কয়েকটি নাম আলোচনায় এসেছে তার মধ্যে অন্যতম ছিলেন মাহবুবুল আনাম। তবে, তিনি আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল, আইসিসির চাকরি ছেড়ে ৩০মে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি পদে দায়িত্ব নেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। দায়িত্ব নিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি এসেছি টি-টোয়েন্টি খেলতে।’ সেই টি-টোয়েন্টি ইনিংস এখন যেন রূপ নিচ্ছে ধৈর্যশীল এক টেস্ট ম্যাচে। আর সেই ম্যাচে তিনি খেলতে চান লম্বা ইনিংস।
বুলবুল বলেন, নির্বাচন করার কোনো সম্ভাবনা নেই–কারণ আমার কোনো ক্লাবও নেই, আমি কোনো বিভাগ থেকেও আসিনি।’ তাই বলে আবার এমনও নয় যে, বিসিবি সভাপতি হওয়ার প্রস্তাব পেলে তিনি না করবেন। আমিনুল বিসিবি সভাপতি হতে রাজি আছেন, যদি নির্বাচন না করেই সভাপতি হওয়া যায়। অর্থাৎ এনএসসি যদি পরিচালক হিসেবে মনোনীত করে এবং এভাবেই যদি বিসিবির সভাপতি হওয়া যায়, তাহলে সভাপতি হতে আপত্তি নেই।
বুলবুল চাইলেও শেষ পর্যন্ত কে হবেন বিসিবি সভাপতি, তা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। তাছাড়া যেসব সংস্কার আর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন বুলবুল, তার বেশিভাগই দীর্ঘমেয়াদি। ফলে পুনরায় তাকে বিসিবি সভাপতির চেয়ারে দেখতে পারাটা অমূলক নয়।
অন্যদিকে, সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদকেও দেখা যেতে পারে বিসিবি নির্বাচনে। তিনিও নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। তার হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি ক্লাব। অনেক পরিচালকও তাকে সমর্থন করবেন। ফারুক এখন কেবল অপেক্ষায় আছেন রাজনৈতিক সাড়া পাওয়ার।
বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের পরবর্তী সভায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে আগামী নির্বাচন। সেই সভাতেই গঠন হতে পারে নির্বাচন কমিশন। এরপর পুরোদমে জমে উঠবে ভোটের আমেজ।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩















