ক্রিকেটে প্রচলিত প্রবাদ‘ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস’!তবে প্রচলিত সেই প্রবাদকে যেন মিথ্যা প্রমাণ করল ভারত ক্রিকেট দল। চলতি এশিয়া কাপে এখন পর্যন্ত সূর্যকুমার যাদবের দলই সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ছেড়েছে। তাতে হংকংয়ের মতো আইসিসির সহযোগী দলও ভারতের পেছনে পড়েছে। আবার এই ভারতই সবার আগে নিশ্চিত করেছে এশিয়া কাপের ফাইনাল।
সুপার ফোরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে ভারত ক্যাচ ছেড়েছে ৫টি। অর্থাত চারবার জীবন পেয়ে ৬৯ রান করেন সাইফ হাসান। টি-টোয়েন্টিতে একজন ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে এটাই সর্বোচ্চ ক্যাচ ফেলার নজির ভারতের। সুপার ফোরে পাকিস্তান ম্যাচেও ফিফটি করা শাহিবজাদা ফারহানকে দুবার জীবন দিয়েছে ভারত।
তাতে সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী ভারতের স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী। তাঁর বলে চারটি সহজ ক্যাচ ছেড়েছেন ভারতের ফিল্ডাররা। সব মিলিয়ে ভারত এবারের এশিয়া কাপে ক্যাচ ছেড়েছে ১২টি। ক্যাচ ছাড়ার তালিকায় দ্বিতীয় হংকংয়ের (১১) চেয়ে একটি বেশি। বাংলাদেশ ক্যাচ ছেড়েছে ৮টি। বাংলাদেশ এই তালিকায় তৃতীয়, ৬টি ক্যাচ ছেড়ে শ্রীলঙ্কা চতুর্থ।
পাকিস্তান দলের ফিল্ডিং নিয়ে প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতা হয়। কিন্তু এবারের এশিয়া কাপে পাকিস্তানের ফিল্ডাররা বেশ ভালো করছেন। ক্যাচ ছেড়েছেন মাত্র তিনটি। সবচেয়ে কম ২টি ক্যাচ ছেড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
৮৬.৩ শতাংশ ক্যাচ সফলভাবে নিয়েছে পাকিস্তান, শতাংশের হিসাবে এটাই সর্বোচ্চ। ভারত ক্যাচ নিতে পেরেছে ৬৭.৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ৭৪.১ শতাংশ। এশিয়া কাপে কেন এত ক্যাচ মিস হচ্ছে? এর কারণ হতে পারে আধুনিক প্রযুক্তির ফ্লাডলাইটের ব্যবস্থা। আরব আমিরাতের স্টেডিয়ামগুলোর ফ্লাডলাইট ‘রিং অব ফায়ার’ ডিজাইনের। কিন্তু ক্রিকেট–বিশ্বে বাকি স্টেডিয়ামগুলোর ফ্লাডলাইট পাইলন স্টাইলের।
বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ের পর ক্যাচ মিস নিয়ে ফ্লাড লাইটকে দোষারোপ করেন ভারতের স্পিনার বরুণ, ‘যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, তাহলে বলব অবশ্যই রিং অব ফায়ার চোখে পড়ে। এটা ক্যাচ ধরতে বাধা তৈরি করে। তবে আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। এই স্তরে কোনো অজুহাত চলবে না। দল হিসেবে আমাদের অবশ্যই ক্যাচগুলো ধরতে হবে। আমরা ফাইনালে পৌঁছে গেছি, এখন এসব ক্যাচ মিস করা উচিত নয়।’
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩


















