গ্রুপপর্বে বিদায়? লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে এমন দৃশ্য এখনও দেখা যায়নি। মঙ্গলবার ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে ইন্টার মায়ামির হয়ে পালমেইরাসের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করার মধ্য দিয়ে আরও একটি নকআউট রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ফলে ৩৩টি ক্লাব ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার প্রতিটিতেই গ্রুপপর্ব পেরোনোর রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখলেন মেসি।
মায়ামির জন্য ম্যাচটি ছিল গ্রুপের শেষ ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। জয় বা ড্র—যেকোনো ফলেই নকআউট নিশ্চিত ছিল তাদের জন্য। ম্যাচের ৭৫ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে জয় অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলেছিল মেসির দল। কিন্তু শেষ ১১ মিনিটে পালমেইরাস দুটি গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরায় এবং গ্রুপসেরা হয় গোল ব্যবধানে। ইন্টার মায়ামি দ্বিতীয় হয়ে জায়গা করে নেয় শেষ ষোলোয়।
এই ড্রয়ে যেমন নকআউট নিশ্চিত হলো, তেমনি সামনে দাঁড়াল বড় এক চ্যালেঞ্জ। পরের ম্যাচে তাদের মুখোমুখি হতে হবে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী পিএসজির সঙ্গে—মেসিরই পুরোনো ক্লাব, যেখানে কোচ লুইস এনরিকে, যিনি বার্সেলোনায় ছিলেন মেসির ‘গুরু’।
৩৮তম জন্মদিনের সকালেই এমন দুর্দান্ত এক অর্জন মেসির ক্যারিয়ারে যোগ হলো আরও এক অনন্য পালক। ক্লাব ক্যারিয়ারে বার্সেলোনা, পিএসজি এবং এখন ইন্টার মায়ামি—কোনো ক্লাবেই গ্রুপপর্ব থেকে ছিটকে পড়ার অভিজ্ঞতা নেই তার। জাতীয় দলের হয়েও নেই এমন কোনো দুঃস্মৃতি।
