সারা বিশ্বের ফুটবল প্রেমীদের শুক্রবার সকালে চোখ ছিল আর্জেন্টিনার এস্তাদিও মনুওমন্তোলায়। এদিন আর্জেন্টিনার ক্ষুদে জাদুকর যে জাতীয় দলের জার্সিতে নিজেদের মাঠে শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন। আর্জেন্টিনার মাটিতে মেসির এ ম্যাচকে লাস্ট ড্যান্স বলা হচ্ছিল। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ঠিকই নাচিয়ে ছেড়েছেন। জোড়া গোল করে সমর্থকদের আনন্দে ভাসিয়েছেন। তার জোড়া গোলের সুবাদে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলে ম্যাচ জিতেছে। অন্য গোলটি করেন লাউতারো মার্টিনেজ।
প্রতিযোগিতার গুরুত্বের বিচারে আর্জেন্টিনার জন্য এ ম্যাচটি ছিল নিয়ম রক্ষার। কেননা আগেই তারা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ১৭ ম্যাচ থেকে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে সবার উপরে।
বয়সের কারণে মেসিকে আর বেশিদিন মাঠে দেখা যাবে না। তবে বয়সটা যে তার জন্য একটা সংখ্যা মাত্র তা আবার প্রমাণ করেছেন এ ম্যাচে। ৩৯ মিনিটে ও ৮০ মিনিটে গোল করেন তিনি। ৩৯ মিনিটে করা গোলের রূপকার ছিলেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। মাঝমাঠে ভেনেজুয়েলার মিডফিল্ডার বলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর সুযোগ নিয়ে হুলিয়ান আলভারেজকে লম্বা পাস দেন পারেদেস। ডান প্রান্ত থেকে হালকা ডসে প্রতিপক্ষকে ছিটকে দিয়ে পারেদেস বল দেন বক্সের সামনে থাকা মেসিকে। দারুণ এক চিপে বল ভাসতে ভাসতে জালে আশ্রয় পাঠিয়ে দেন তিনি।
৩২৪ দিন পর জাতীয় দলের হয়ে প্রথম গোল মেসির। ৭ গোল করে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে শীর্ষে থাকা কলাম্বিয়ার লুইস দিয়াজের পাশে বসলেন। তবে বেশিক্ষণের জন্য নয়। ৮০ মিনিটের সময় আলভারেজের ক্রসে আবার গোল করলেন, নিজেকে নিয়ে সবার উপরে। হ্যাটট্রিকও পেতে পারতেন মেসি। বল জালেও পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ভিএআর জানিয়ে দেয় অফসাইডের কারণে গোল বাতিল।
এর আগে ৭৬ মিনিটে স্কোরশিটে নাম লেখান লাউতারো মার্টিনেজ। দুই মিনিট আগে আলভরেজের বদলি হিসেবে মাঠে নেমে নিকো পাজের ক্রস থেকে হেড করে গোল করেন লাউতারো।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















