নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের সুপার সিক্সে থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সোবহানা মোস্তারি’র অলরাউন্ডার নৈপূণ্যে সহজ জয় পায় নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। নেপালের মুলপানিতে এই জয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূলপর্বে বাংলাদেশ প্রায় নিশ্চিত করেছে ।
গ্রুপ পর্বে চার ম্যাচের সবগুলোতেই এবং সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচ অর্থাৎ পাঁচ ম্যাচের সবগুলোতেই জয় পেলো জ্যোতি-মারুফারা। অবশ্য সুপার সিক্সের পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশের জয় দেখাচ্ছে তিনটি। বিষয়টি যে কারও মনে প্রশ্নের জন্ম দিবে।
সুপার সিক্সে
১০ দলের বাছাইপর্বে ছিলো দু’টি গ্রুপ। প্রতি গ্রুপ থেকে সুপার সিক্সে জায়গা করে নিয়েছে তিনটি করে দল। বাংলাদেশের গ্রুপ থেকে উঠেছে আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী গ্রুপ পর্বের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পাওয়া জয়ের পয়েন্ট সুপার সিক্সে যোগ হয়েছে। গ্রুপের যে দলগুলো সুপার সিক্সে একে অপরের প্রতিপক্ষ তারা এই রাউন্ডে একে অন্যের বিপক্ষে খেলবে না। যে কারণে সুপার সিক্সে একটা দল আসলে ম্যাচ খেলবে ৩টি, হিসাব হবে মোট ৫ ম্যাচের পয়েন্ট।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৫ রানের সংগ্রহ পায়। নারী টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশের মেয়েদের এটি চতুর্থ সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ১৬৬ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রানেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় থাইল্যান্ডের মেয়েদের।
থাইল্যান্ডের বিপক্ষে পাওয়া জয়ের পর বিশ্বকাপের মূলপর্বে বাংলাদেশের খেলাটা একপ্রকার নিশ্চিতই বলা যায়। আজ দিনের অন্য ম্যাচে নেদারল্যান্ডস যদি যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে দেয় তবে, আজই বাংলাদেশের মূল পর্ব নিশ্চিত হয়ে যাবে। আর যুক্তষ্ট্র জয় পেলেও বাংলাদেশের ভয় নেই। সুপার সিক্সের বাকি দুই ম্যাচের একটিতে জিতলে কিংবা একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হলেও বিশ্বকাপের টিকিট পাবেন মারুফারা।
সুপার সিক্সের টেবিলে বাংলাদেশের অবস্থান এখন সবার উপরে। তিন ম্যাচে তিন জয়ে নিগার সুলতানাদের সংগ্রহ ছয় পয়েন্ট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
- বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৬৫/৮ (জুয়াইরিয়া ৫৬, সোবহানা ৫৯, রিতু ১৫, শারমিন ১১; পুত্থাওয়াং ৩/২২, ওনিচা ২/২৯)।
- থাইল্যান্ড: ২০ ওভারে ১২৬/৮ (চ্যান্থাম ৪৬, চাইউই ৩০, কোনচারোয়নকাই ২৯; মারুফা ৩/২৫, রিতু ২/২০, স্বর্ণা ২/২১)।
- ফল: বাংলাদেশ ৩৯ রানে জয়ী।
- ম্যাচসেরা: সোবহানা মোস্তারি
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩














