ইতিহাস গড়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত করেছে টাইগাররা। এখন সুযোগ সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ণদের হোয়াইটওয়াশ করার। শেষ ম্যাচে জিতলেই ধবলধোলাই হবে পাকবাহিনী। মিরপুর শেরে-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু সন্ধ্যা ৬টায়।
দুর্দান্ত ফর্মে থাকা তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানের গতির ঝড়ে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৯.৩ ওভারে ১১০ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। টার্গেট তাড়ায় ২৭ বল আগেই ৭ উইকেট হাতে রেখে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
আর দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ১৩৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। টার্গেট তাড়ায় ১৯.২ ওভারে ১২৫ রানে অলআউট হয়ে ৮ রানে হেরে সিরিজ হাতছাড়া করে পাকিস্তান। ফলে টানা দুই ম্যাচে জিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবার সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ।
এবার ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার সুবর্ণ সুযোগ টাইগারদের সামনে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে শক্তিশালী একাদশ মাঠে নামাতে পারে বাংলাদেশ। পরীসংখ্যানে দুই দল ২৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অংশ নেয়। তার মধ্যে বাংলাদেশ জয় পায় মাত্র ৫টিতে আর ১৯টিতে জয় পায় পাকিস্তান।
ফলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইতিহাস গড়তে ওপেনিংয়ে থাকছেন পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান তামিম। যদিও দ্বিতীয় ম্যাচে তামিমের পরিবর্তে একাদশে ছিলেন নাঈম শেখ। আর ওয়ানডাউনে থাকছেন অধিনায়ক লিটন দাস।
চারে থাকছেন তাওহীদ হৃদয়, পাঁচে জাকের আলী অনিক আর ছয়ে শামিম হোসেন। তবে সাত ও আটে আসতে পারে পরিবর্তন। রিশাদ হোসেন ও শেখ মেহেদীকে বিশ্রাম দিতে পারে টিম ম্যানেজমন্টে। তেনটি হলে মেহদী হাসান মিরাজ ও নাসুম আমহেদ ফিলতে পারেন একাদশে।
এছাড়া পেস বোলিং সামলাবেন তিন পেসেরা। মোস্তাফিজকে মোস্তাফিজ ও তানজিমকে বিশ্রাম দিতে পারে বিসিবি। দখন একাদশে থাকবেন তাসকিন আহমেদ. শরিফুল ইলাম ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















