বিশ্ব লিজেন্ডস চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউসিএল) দ্বিতীয় আসরে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। আজকে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। বেশ কয়েকজন ভারতীয় কিংবদন্তি ম্যাচে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর মযাচ বাতিলের কথা জানায় আয়োজক কমিটি।
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কাশ্মীরের পাহেলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর থেকে এই ম্যাচে অংশ নিতে অনাগ্রহ দেখান ভারতীয় খেলোয়াড়রা। ফলে ২০ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিলের ঘোষণা দেয় ডব্লিউসিএল।
সংস্থাটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সম্প্রতি দুই দেশের ভলিবল ম্যাচসহ অন্যান্য ক্রীড়া ইভেন্ট থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ম্যাচটি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল দুই দেশের সমর্থকদের জন্য কিছু সুখকর মুহূর্ত তৈরি করা। তবে এতে অনিচ্ছাকৃতভাবে অনেকের অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে, বিশেষ করে ভারতীয় কিংবদন্তিদের কাছে বিষয়টি অস্বস্তিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এজন্য দুঃখ প্রকাশ করে ম্যাচটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ডব্লিউসিএলের বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা সবসময় ক্রিকেটকে ভালোবাসি এবং সমর্থকদের খুশির মুহূর্ত উপহার দেওয়া আমাদের লক্ষ্য। পাকিস্তান হকি দল ভারতের সফর এবং সাম্প্রতিক ভলিবল ম্যাচের মতো কিছু ইতিবাচক দৃষ্টান্ত দেখে ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তবে হয়তো আমরা ভুল করেছি এবং অনেকের অনুভূতিতে অনিচ্ছাকৃতভাবে আঘাত লেগেছে।”
তারা আরও যোগ করেছে, “আমরা দুঃখিত। বিশেষ করে আমাদের ভারতীয় ক্রিকেট কিংবদন্তিদের জন্য যাঁরা দেশকে গৌরবান্বিত করেছেন। এই ম্যাচ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য শুধুই ক্রিকেটপ্রেমীদের কিছু আনন্দের মুহূর্ত দেওয়া ছিল।”
এটি হওয়ার কথা ছিল পাহেলগামের ঘটনার পর প্রথম ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য মতে, হরভজন সিং, সুরেশ রায়না, ইউসুফ পাঠানরা শুরুতেই ম্যাচে না খেলার সিদ্ধান্ত জানান। এছাড়া ইরফান পাঠানও ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ান।
আগেই ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলেন শিখর ধাওয়ান। এক্স-এ দেওয়া পোস্টে ধাওয়ান বলেন, “১১ মে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আজও সেটিতে অটল। দেশের থেকে বড় কিছু নেই।”
