ব্রোঞ্জ ম্যাচে হেরে শূন্য হাতে ফিরল বাংলাদেশ আরচ্যারী দল

কানাডার উইনিপেগে অনুষ্ঠিত বিশ্ব জুনিয়র আরচ্যারী চ্যাম্পিয়নশিপে পদকের স্বপ্ন অপূর্ণ রইল বাংলাদেশের। ব্যক্তিগত ইভেন্টে আগেই ছিটকে গিয়েছিলেন দেশের তরুণ আরচ্যাররা। তবে দলগত ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জয়ের সুযোগ এসেছিল সাগর, আব্দুর রহমান আলিফ ও রাকিবের সামনে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রোঞ্জ ম্যাচে লড়াই করেও শূন্য হাতে ফিরেছে বাংলাদেশ।

পুরুষ রিকার্ভ দলগত ইভেন্টে দুর্দান্ত শুরু করেছিল সাগর-আলিফ-রাকিব ত্রয়ী। পোল্যান্ড ও মেক্সিকোকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছায় তারা। তবে সেখানে দক্ষিণ কোরিয়ার শক্তিশালী দলকে প্রতিরোধ করতে পারেনি বাংলাদেশ। ১-৫ সেট পয়েন্টে হারের পর ব্রোঞ্জের জন্য অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। কিন্তু সেখানেও একই ব্যবধানে হেরে পদক হাতছাড়া করতে হয়। ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়া একই ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে শিরোপা জেতে।

ব্যক্তিগত বিভাগেও হতাশ হয়েছেন বাংলাদেশের তরুণরা। আব্দুর রহমান আলিফ ১/১৬ রাউন্ডে স্লোভাকিয়ার ড্যানিয়েলের কাছে টাইব্রেকে হেরে বিদায় নেন। পাঁচ সেট শেষে সমতা ছিল ৫-৫, কিন্তু টাইব্রেকে আলিফ স্কোর করেন ৭, ড্যানিয়েল ৯। যদিও র‍্যাংকিং রাউন্ডে সপ্তম হওয়ায় দুই ধাপ বাই পেয়েছিলেন আলিফ।

এর আগে ১/২৪ রাউন্ডে স্লোভাকিয়ান ড্যানিয়েলই হারিয়েছিলেন বাংলাদেশের আরেক আরচ্যার সাগরকে, ৬-২ সেট পয়েন্টে। একই ধাপে ভারতের হুদা পরশের কাছে ৬-০ সেটে হেরে বিদায় নেন বাংলাদেশের তৃতীয় প্রতিযোগী।

বাংলাদেশ দল এবার অংশ নিয়েছিল কেবল পুরুষ রিকার্ভ অনূর্ধ্ব-২১ বিভাগে। খরচ ও দীর্ঘ ভ্রমণের কারণে নারী রিকার্ভ বা কম্পাউন্ড; কোনো খেলোয়াড়কে পাঠানো হয়নি। ফলে মাত্র তিনজন আরচ্যার নিয়েই লড়াই করতে হয়েছে।

তরুণ আরচ্যারদের পারফরম্যান্সে সম্ভাবনার ঝলক দেখা গেলেও অভিজ্ঞতার ঘাটতি ও চাপ সামলাতে না পারায় শেষ পর্যন্ত পদকশূন্য থাকতে হলো বাংলাদেশকে।

Exit mobile version