পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) প্রথমবার খেলতে গিয়ে চমক দেখান বাংলাদেশের স্পিন-অলরাউন্ডার রিশাদ হোসেন। তবে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের কারণে টুর্নামেন্টের মাঝ পথেই দেশে ফিরেছেন তিনি। কঠিন সেই সময়ে আতঙ্কগ্রস্ত একাধিক বিদেশি ক্রিকেটারের অভিজ্ঞতা জানিয়েছিলেন রিশাদ। যা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ায় তিনি ক্ষমা চেয়েছেন।
নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বিভ্রান্তি নিরসনের লক্ষ্যে একটি বিবৃতি দিয়েছেন রিশাদ। যেখানে তিনি কয়েকজন বিদেশি ক্রিকেটারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা জানান। একইসঙ্গে তার মন্তব্য সংবাদমাধ্যমে অতিরঞ্জিত করে প্রচার হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন এই টাইগার লেগস্পিনার।
পিএসএল স্থগিত ঘোষণার পর পাকিস্তান থেকে আসার পথে দুবাইয়ে গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন রিশাদ। তিনি ক্রিকবাজকে বলেন, ‘স্যাম বিলিংস, ড্যারিল মিচেল, কুশল পেরেরা, ডেভিড ভিসা, টম কারান…সবাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। দুবাইয়ে নামার পর মিচেল বললেন, তিনি আর কখনও পাকিস্তানে যাবেন না, বিশেষ করে এমন পরিস্থিতিতে।’
ইংল্যান্ডের টম কারানকে নিয়ে রিশাদ বলেন, ‘বিমান ধরার জন্য এয়ারপোর্টে গিয়ে তিনি (কারান) শুনতে পান সেটি বন্ধ হয়ে গেছে। যা শুনে ছোট বাচ্চার মতো কাঁদতে শুরু করেন কারান। ওই সময় তাকে সামলাতে দুই-তিনজন লোক লেগেছিল।’
বিদেশি সতীর্থদের নিয়ে রিশাদের এসব মন্তব্য নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো সুবিধা নেয়। এরপর আরও দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমেও তা ছড়িয়ে পড়ে বিষয়টি। যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। ফলে এ বিষয়ে রিশাদ, ‘আমি জানতে পেরেছি আমার সম্প্রতি করা কিছু মন্তব্য নিয়ে গণমাধ্যমের ভুল ব্যাখ্যায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। দুবাই বিমানবন্দরে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সেই মন্তব্য করেছিলাম। এটাতে পুরো প্রসঙ্গ উঠে আসেনি এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে আবেগকে অতিরঞ্জিত করে তুলে ধরা হয়েছে।’
সাক্ষাৎকারে উল্লেখিত সতীর্থদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করে রিশাদ বলেন, ‘আমার কারণে সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝির জন্য আমি অনুশোচনা প্রকাশ করছি। কারান এবং মিচেলের কাছেও নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছি আমি। সতীর্থদের জন্য আমার মধ্যে গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে এবং আমি (লাহোর) কালান্দার্সের ভ্রাতৃত্ববোধকে ধারণ করি- যেখানে আমরা সবাই যেকোনো পরিস্থিতিতে একে অপরের পাশে দাঁড়াই। পাকিস্তান সুপার লিগ আবার শুরু হলে আমি নিজের দলে যোগদানের জন্য মুখিয়ে আছি।’
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















