রেফারিকে ঘুষি মারার ঘটনায় তুরস্কের আঙ্কারাগুচু ক্লাব নিষিদ্ধ

রেফারিকে ঘুষি মারার ঘটনায় তার্কিশ ফুটবল ফেডারেশন ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। তাদের সে ঘোষণা শুধু ঘোষণাতেই আটকে নেয়। সঙ্গে সঙ্গে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে দুইজনকে আটক করা হয়েছিল। ঘটনার মূল হোতা আঙ্কারাগুচু ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক কোকার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। একই দিনে তাকে পরবর্তীতে আটক করা হয়। এবার কোকাকে সারাজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এখানেই শেষ নয়, আঙ্কারাগুচু ক্লাবকে বিশ লক্ষ লিরা (৬৯ হাজার ডলার) জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচটি হোম ম্যাচ দর্শকশূন্য মাঠে খেলতে হবে। এছাড়া ক্লাবের অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানা করা হয়েছে।

গত সপ্তায় তুরস্কের লিগে রিজেসপরের বিপক্ষে হোম ম্যাচে আঙ্কারাগুচু ক্লাব ১-০ গোলে জয়ের পথে ছিল। কিন্তু ৯৭ মিনিটে রিজেসপর গোল করে খেলা সমতায় ফিরিয়ে আনে। ব্যাপারটি মোটেও মনঃপুত হয়নি কোকার।

খেলার শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে  মাঠে ঢুকে এক ঘুষিতে রেফারি উমুত মেলারকে কুপোকাত করে ফেলেন। পাশাপাশি অন্যরা তার ওপর হামলা চালায়। এ সময়ে রেফারিকে কেউ কেউ লাথিও পারে। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে তুরস্কে সব ধরণের লিগ ম্যাচ স্থগিত করা হয়।

ঘটনার পর রেফারিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার চোখে কালশিটে পড়ে গিয়েছিল। বিভিন্ন স্থানে ফুলেও উঠেছিল। তবে মারাত্মক কোনো ক্ষতি হয়নি। এরই মধ্যে রেফারি মেলারকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তুরস্কে ফুটবল মাঠে বিভিন্ন ক্লাব কর্মকর্তা ও সমর্থকদের দ্বারা রেফারির সমালোচনা খুবই সাধারণ ঘটনা। রেফারির সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলেও সমালোচনার মধ্যে তারা নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখে। কিন্তু রেফারির গায়ে হাত তোলার ঘটনা বিরল।

Exit mobile version