চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৬ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। টপ-অর্ডারের ব্যর্থতায় ১৬৬ রানের লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি টাইগাররা। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৬ বলে ৩৮ রান তুলতে হারায় ৩ ব্যাটারকে। সেই অবস্থায় ব্যাটিংয়ে নেমে দায়িত্ব না নিয়ে উল্টো নিজের উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন শামীম হোসেন পাটওয়ারী। আর তাতেই হতাশ হয়েছেন টাইগার অধিনায়ক।
৪ বল খেলে ১ রান করে বোল্ড হয়েছেন শামীম। জেসন হোল্ডারের বলটা যেভাবে খেলতে গিয়ে আউট হলেন, তাতে অবশ্য হতাশ হওয়ারই কথা। এরপরেও যে বাকি ব্যাটাররা খুব একটা ভালো করেছেন, তা কিন্তু নয়। বল অবশ্য খারাপ করেননি টাইগার বোলররা। রোভম্যান পাওয়েল শেষ ওভারে তিনটি ছক্কা না মারলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোরটা অবশ্য দেড়শ’র নিচেই থাকতে পারতো। তবুও চট্টগ্রামের উইকেটে যে ১৬৬ রান খুব বেশি, তাও কিন্তু নয়।
শেষ দিকে তানজিম সাকিব, নাসুম আহমেদ, তাসকিন ও মোস্তাফিজরা যদি রান না তুলতেন, তাহলে টাইগারদের হারের ব্যবধানটা আরও বড় হতো। ম্যাচ শেষে লিটন দাস বলেন, ‘প্রথম ১০ ওভারে তারা দারুণ ব্যাট করেছে। তখন উইকেট একটু ধীরগতির ছিল। দ্রুত কিছু উইকেট তুলে নিতে পারলে তারা চাপে পড়ে যেত। ১৯তম ওভার পর্যন্ত আমরা ম্যাচে ছিলাম। এরপর রোভম্যান যে ব্যাটিং করল…..। ক্রিকেটে অবশ্য এমন হতেই পারে। আমাদের স্লগ ওভারে ভালো করতে হবে। পরের ম্যাচে মাথায় রাখতে হবে।’
শামীমকে নিয়ে নিজের অসন্তোষ জানিয়ে লিটন বলেন, ‘ব্যাটিংয়ে পাওয়ারপ্লেতে খুব বেশি উইকেট হারিয়ে ফেলেছি। শামীম যেভাবে ব্যাট করেছে, ওর ব্যাটিংয়ে আমি খুব হতাশ হয়েছি। তাকে এটা নিয়ে ভাবতে হবে। সবসময় ক্রিজে এসে মারলেই হবে না। কখনও কখনও দায়িত্ব নিতে হয়, নিতে হবেই।’
লিটনের মতে, ক্যাচ আরও ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। ‘শেষ ওভার ছাড়া বাকি সময় আমরা ভালো বল করেছি। আমাদের ক্যাচগুলো ধরতে হবে। তারা দারুণ কিছু ক্যাচ ধরেছে।’
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















