২০১৯ সালে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে না জানানোর কারণে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। সেই সময়ে আকসুর জেনারেল ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন অ্যালেক্স মার্শাল। ক্রিকেটকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে মার্শালকে পরামর্শ হিসেবে নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
দেশের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট ও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ফিক্সিং ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড ঠেকানোর জন্যই তাকে নিয়োগ দিল ক্রিকেট বোর্ড। অ্যান্টি করাপশন কনসালটেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে আজ সোমবার ঢাকায় আসেন অ্যালেক্স মার্শাল। তিনি বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিটকে ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি ক্রিকেটার, কোচ, টিম ম্যানেজমেন্ট ও আকুর বর্তমান কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক ওয়ার্কশপ করবেন। অতীতে আকু কীভাবে কাজ করেছে, সেটিও খতিয়ে দেখবেন তিনি।
বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান ও পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু এ বিষয়ে বলেন, ‘আমাদের অ্যান্টি করাপশন ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করার জন্য আমরা অ্যালেক্স মার্শালকে নিয়োগ দিচ্ছি। স্থানীয় টুর্নামেন্টগুলোতে দুর্নীতি ঠেকানো বেশ কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আমরা তাকে পরামর্শক হিসেবে আনছি।’
অ্যালেক্স মার্শাল যুক্তরাজ্যের পুলিশ বাহিনীতে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১৭ সালে আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে যোগ দেন। পরে তাকে অ্যান্টি ডোপিং ইউনিটের দায়িত্বও দেওয়া হয়। তবে সেটি আলাদা হওয়ার পর তিনি কেবল দুর্নীতি দমনেই মনোযোগ দেন।
আইসিসিতে দায়িত্ব পালনকালে তিনি শ্রীলংকা ক্রিকেটে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালিয়ে সাড়া ফেলেন। তার আমলেই ২০১৯ সালে দেশটির সাবেক অধিনায়ক সানাথ জয়াসুরিয়া তদন্তে অসহযোগিতার কারণে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন। একই সময়ে নিষিদ্ধ হন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান।
