প্রথম দুই ম্যাচে বড় পরাজয়ের পর সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ভারতের বিপক্ষে সহজ জয় হাতছাড়া করেছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। এমনকি শেষ দুই ওভারে অর্থাৎ ১২ বলে ৯ রানের প্রয়োজন হলেও ৮ রান তুলতেই চার উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানে লঙ্কান ব্যাটারদের সুযোগই দেননি ভারতীয় বোলার ওয়াশিংটন সুন্দর।
টস হেরে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৭ রানের সংগ্রহ পায় ভারত। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কাও ১৩৭ রানের সংগ্রহ পায়। পরে সুপার ওভারের নাটকীয়তার জয় তুলে নিয়ে লঙ্কানদের হোয়াইটওয়াশ করলো টি-টোয়েন্টির বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের ফল নির্ধারণী সুপার ওভারে ওয়াশিংটন সুন্দরের করা ওভারে মাত্র চার বল খেলেই দুই উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। পুঁজি পায় মাত্র দুই রানের। জবাবে খেলতে নেমে থিকসানার করা প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাকিয়ে জয় তুলে নেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব।
পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে, প্রথম দুই ম্যাচে ভারতীয় ব্যাটাররা দাপট দেখালেও তৃতীয় ম্যাচে আধিপত্য দেখান লঙ্কান বোলাররা। শুভমান গিলের ৩৯ ও লোয়ার অর্ডারে রিয়ান পরাগের ২৬ ও ওয়াশিংটন সুন্দরের ২৫ রান ছাড়া দলটার আর কোন ব্যাটারই সুবিধা করতে পারেননি।
লঙ্কানদের পক্ষে মাহিথ থিকসানা ২৮ রানে তিন উইকেট তুলে নেন। এছাড়া ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ২৯ রানে দুই উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা চামিন্দু বিক্রমাসিংহে, আসিথ ফার্নান্দো ও রমেশ মেন্ডিস।
জবাবে খেলতে নেমে শুরুর তিন ব্যাটারই রান পেয়েছেন। ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ২৬ রান করে আউট হলেও আরেক ওপেনার কুশল মেন্ডিস পেয়েছেন ৪৩ রান। আর ওয়ান ডাউনে খেলতে নামা কুশল পেরেরা করেন ৪৬ রান। কিন্তু পরের ব্যাটাররা সুবিধা করতে পারেননি।
২৭ জুলাই সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে লঙ্কানদের ৪৩ রানের বড় ব্যবধানে হারায় ভারত। তাদের করা ২১৩ রানের জবাবে ১৭০ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।
পরের দিন অর্থাৎ ২৮ জুলাই বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ভারত জয় পায় ৭ উইকেটে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রান পায় ভারত। পরে ৮ ওভারে ভারতের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ৭৮ রান। তিন উইকেট হারিয়ে ৯ বল হাতে রেখেই জয় পায় সূর্যকুমার যাদবের দল।
কলম্বোতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে আগামী ২ আগস্ট। সিরিজের পরের দুই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ৪ ও ৭ আগস্ট।
