২০তম ওভারে প্রয়োজন ১১ রান। উইকেটে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের সাথে সৌম্য সরকারের বদলি হিসেবে একাদশে জায়গা করে নেয়া জাকের আলী অনিক। কেশভ মহরাজের ওভারে আউট হয়ে গেলেন এই দুই ব্যাটার। আর বাংলাদেশ হাতের নাগালে নিয়েও ম্যাচটা হারলো চার রানে।
অথচ ১৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ছিলো ৪ উইকেটে ৯৪ রান। অর্থাৎ জয়ের জন্য শেষ ১৮ বলে করতে হবে ২০ রান। বাংলাদেশের হাতে ছিলো ছয় উইকেট। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সে রানটাও তুলতে পারলো না বাংলাদেশ।
এর আগে. মাত্র ১১৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই বিদায় নেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। আউট হলেন কাগিসো রাবাদার বলে ৯ রান করে। ইনিংসটাকে ৭ম ওভারে নিয়ে গেলেও তানজিদ হাসানের মতো নিজের ব্যক্তিগত ইনিংসটাকে ৯ রানের গেড়ো থেকে বের করতে পারলেন না লিটন দাস। কেশভ মহারাজের বলে ফিরলেন লিটন।
দলীয় ২৯ রানে দুই উইকেট হারানোর পর ব্যাটিংয়ে এসে অভিজ্ঞ সাকিব আল হাসান টিকলেন মাত্র চার বল। অ্যানরিচ নর্টজের বলে আউট হলেন তিন রান করে। ইনিংস ওপেন করা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও বেশি সময় উইকেটে থাকলে পারলেন না। ফিল্ডিংয়ের সময় ‘বোলিং চেঞ্জে’ মুন্সিয়ানা দেখালেও যথারীতি ব্যাট হাতে ব্যর্থ বাংলাদেশ দলনেতা। আউট হন ব্যক্তিগত ১৪ রানে। নর্টজের ওভারেই।
দলের বিপর্যয়ের মুখে তাওহীদ হৃদয় ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ব্যাট বাংলাদেশকে আশা দেখালেন প্রোটিয়া বধের। ৪৪ রানের পার্টনারশিপ গড়ে হৃদয় ফিরলেন ব্যক্তিগত ৩৭ রানে। রাবাদার করা ১৮তম ওভারের প্রথম বলেই আউট হলেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে ঝড় তোলা হৃদয়।
বিপিএলে ঝড় তোলা জাকের আলী পর পর তিন বলে কোন রান করতে পারেননি। চতুর্থ বলে নিলেন এক রান। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও নিলেন এক রান। ১৭তম ওভার শেষে বাংলাদেশের দরকার যেখানে ছিলো ২০ রান, সেখানে এই ওভার শেষে হয়ে গেলো ১২ বলে ১৮ রান।
১৯তম ওভারে ৭ রান নেয়ায় শেষ ওভারে অর্থাৎ ২০তম ওভারে প্রয়োজনীয় ১১ রান তুলতে গিয়ে জাকের আলী ও মাহমুদুল্লাহ উভয়েই আউট হয়ে গেলেন কেশভ মহারাজের বলে। তাসকিন খেলতে নেমে পেলেন এক বল। জয়ের জন্য ছক্কার দরকার হলেও এক রানেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো তাকে।
ম্যাচে উভয় দলের ব্যটাররাই যেখানে চরমভাবে ব্যর্থ হলেন সেখানে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৪৪ রানের কারণে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার হেইনরিচ ক্লাসেন।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩


















