প্রথমটি-টোয়েন্টিতে ৮৯ রানের বড় জয় বাংলাদেশ এইচপির।

এইচপি-মালয়েশিয়া টি-২০ সিরিজ

মিরপুরে সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচে বাংলাদেশ আগে ব্যাট করে ১৫৮ রানে অলআউট হলে ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল জয়ের জন্য এই রান যথেষ্ট কিনা? বা আমাদের ব্যাটাররা আপ টু দ্য মার্ক ব্যাট করেছে কিনা? তবে দিন শেষে জয়ের কারণে হয়তো সব প্রশ্নই ফিকে হয়ে যাবে কারণ ‘প্রথম টি-২০ ম্যাচে বাংলাদেশ এইচপি দল ৮৯ রানে জয়ী’।

বাংলাদেশ এইচপি দলের অধিনায়ক সাব্বির রহমান

টি-২০ ক্রিকেটে সাব্বির বড় ব্যাটারের নাম। যদিও জাতীয় দলের বাইরে তিনি তবে আকাশে বাতাসে অনেক কথা শোনা যায় জাতীয় দলে ফিরতে পারেন, জানি সেটা পরের হিসেব তবে ফিরতে হলে তাকে এই সমস্ত সুযোগ গুলো যে ভাল ভাবে কাজে লাগেতে হবে তা আর নতুন করে বলার কি আছে। ওপেনার আবরারের মিডল অর্ডারে ৪০ রানই ছিল দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান। এছাড়া ৭ নম্বরে নেমে সাকলাইন ৩২ রানের ক্যামিও না খেললে ১৫০ রান হয়তো পার হতো না। মৃত্যৃঞ্জয় শেষ দিকে ১টি ছক্কাসহ ৫ বলে ৯ রান করে অপারাজিত থাকলেও রুবেল ৪ বলে ২ রান করে শেষ বলে রান নিতে  গিয়ে আউট হয়েছেন। হোম অব ক্রিকেট মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ১৫৯ রানের টার্গেট যে কম ছোট স্কোর তা বলা যাবে না তবে সাম্প্রতিক সময়ে মিরপুরের উইকেট ও স্পোর্টিং উইকেটের চরিত্র দেখিয়েছে বিভিন্ন ম্যাচে তা মনে রাখা দরকার।

মালয়েশিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল ১৫৯ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুটা ভাল করতে পারেনি দুই ওপেনার শুন্য রানে আউট হয়েছেন। টপাটপ কিছু উইকেট পড়েছে বিশেষ করে শুন্যতে ১ম উইকেট ৬ রানে ২য় উইকেটের পর ২৮ রানে ৩য় উইকেটের পতন হলে সম্পূর্ণ ব্যাকফুটে চলে যায় মালয়েশিয়া, তাই পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে মাত্র ২৮ রান তুলতে পেরেছিল অতিথি দল। মূলতঃ সফরকারীরা কতদুর যাবে আর তাদের জন্য এই ম্যাচটা ২০ ওভার খেলাটাই যে সম্মানের হবে তা আর বুঝতে বাকি ছিলনা। ৪র্থ উইকেট হারায় সফরকারীরা ৭ম ওভারের প্রথম বলেই এবার আউট আকিল যা দিন শেষে তার রানই হয়েছে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ। তারপর টেনেটুনে ১০ রান করতেই আবার ৫ম উইকেটের পতনের পর ৪১ রানে ৬ষ্ঠ উইকেট। এরপর ৫০ রানের আগে আর কোন উইকেট পড়বে কিনা তা নিয়ে সঙ্কা থাকলেও দলীয় হাফ সেঞ্চুরীর বাধা পেরিয়ে গেছে কোন উইকেট না হারিয়ে।

দলীয় ৫০ রান করার ১৩ রান পরেই আবার উইকেটে মড়ক লাগে এবার ৬৩ রানেই পড়ে ৭ম, ৮ম এবং ৯ম উইকেট! তবে মিরপুরে উপস্থিত বেশ কিছু দর্শকেদের জয় দেখার জন্য বেশক্ষন আর অপেক্ষা করতে দেননি মালয়েশিয়ার ব্যাটাররা ১০ম উইকেটের পতন ৬৯ রানে।

একসময় মালয়েশিয়া দলের ২০ ওভার খেলাটাও যে কৃতিত্ব বলে মনে হয়েছিল তা দলীয় থিম ট্যাং বা খেলোয়াড়রা মনে করেছেন কিনা তা অবশ্য তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজে বোঝা যায়নি তাই ১৬ ওভার খেলেই শেষ মালয়েশিয়ার ইনিংস।

বাংলাদেশ এইচপি দলের ৬ জন বোলার বল করেছেন সবাই উইকেট পেয়েছেন তবে রাকিবুল ও রুবেল ২টি করে নিয়েছেন আর রনি, সাকলাইন, মেহরব ও মৃত্যুঞ্জয় সবাই ১টি করে উইকেট পেয়েছেন। মালয়েশিয়ার পক্ষে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেছেন আকিল এছাড়া আজিম ১৫ ও বিজয় টেইল এন্টারে এসে ১৪ রান করেন। বাংলাদেশ ৮৯ রানে জয় লাভ করে সিরিজে ১-০ ব্যাবধানে এগিয়ে গেল। দু-দেশের মধ্যে ২য় টি-২০ অনুষ্ঠিত হবে ১০ আগস্ট মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। টি-স্পোর্টস ইউটিউব চ্যানেল খেলা সরাসরি দেখাবে।

spot_imgspot_img
spot_img

Hot Topics

Related Articles