রাফিনিয়া ও লামিনে ইয়ামালের জোড়া গোলের নৈপুণ্যে রায়ো ভায়েকানোকে ৫-২ গোলে হারিয়ে লা লিগার শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছে বার্সেলোনা। ন্যু ক্যাম্পে পাওয়া এই জয়ে হান্সি ফ্লিকের দল ধরে রাখল মৌসুমের শতভাগ জয়ের রেকর্ড।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য বার্সার জন্য মোটেও স্বস্তির ছিল না। ১২ মিনিটেই সার্জিও কামেয়োর গোলে এগিয়ে যায় রায়ো। আলভারো গার্সিয়ার দারুণ পাস থেকে বল পেয়ে কামেয়োর নেওয়া শটে প্রথমবারের মতো চলতি মৌসুমে গোল হজম করে বার্সা।
তবে পিছিয়ে পড়ার পর দ্রুতই ম্যাচে ফিরেছে স্বাগতিকরা। ১৯ মিনিটে রাফিনিয়া গোল করে সমতা ফেরান। এর মাত্র দুই মিনিট পরেই নিজের প্রথম গোলটি করেন ইয়ামাল। বক্সের ভেতর থেকে স্প্যানিশ তারকার দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ালে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ে। ৫১ মিনিটে ফ্লোরিয়ান লেজনের আত্মঘাতী গোলে বার্সার পক্ষে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-১। তবে রায়ো হাল ছাড়েনি। ৫৮ মিনিটে কর্নার থেকে কামেয়ো নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান কমিয়ে আনেন।

এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় বার্সা। ইংলিশ উইঙ্গার অ্যান্থনি গর্ডনের দারুণ ব্যাকহিল থেকে বল পেয়ে ৭৪ মিনিটে রাফিনিয়া নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন। শেষ মুহূর্তে করিম আদেয়েমির পাস থেকে ইয়ামালও নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে জয়কে আরও বড় করেন।
এই জয়ে প্রথম তিন ম্যাচেই ১২ গোল করল বার্সেলোনা। ম্যাচ শেষে ফ্লিক অবশ্য দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হলেও দ্বিতীয়ার্ধে বলের নিয়ন্ত্রণ আরও ভালো করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। বিশেষ করে প্রতিপক্ষের চাপের সময় ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখার জায়গায় উন্নতি চান তিনি।
ইয়ামালের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ফ্লিকও। নতুন মৌসুমে প্রথম গোলের পাশাপাশি জোড়া গোল করে ১৯ বছর বয়সী এই তারকা আবারও জানিয়ে দিলেন, বার্সার আক্রমণভাগে তাঁর প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। আর রাফিনিয়ার দুই গোলের সঙ্গে অধিনায়ক হিসেবে তাঁর নেতৃত্বও বার্সার আক্রমণকে দিয়েছে বাড়তি ধার।


