দ্বিতীয় টেস্টের পর দলে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছিল পাকিস্তান। সাত ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার পাশাপাশি সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল দুই কোচকেও। এত বড় অদলবদলের পরও অবশ্য বদলায়নি পাকিস্তানের ভাগ্য। ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণের সামনে মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট হয়েছে বাবর আজমের দল।
এজবাস্টনে বুধবার শুরু হওয়া তৃতীয় টেস্টের প্রথম দিনে পাকিস্তানের ব্যাটিং ধসে নেতৃত্ব দিয়েছেন জস টং। ৪২ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছেন এই ইংলিশ পেসার। জোফরা আর্চার ১৫ রানে ৩টি এবং ওলি রবিনসন ২৫ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
পাকিস্তানের প্রথম আট ব্যাটারের সাতজনই দুই অঙ্কের রান ছোঁয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন। ব্যতিক্রম ছিলেন সাউদ শাকিল। ৪৭ বলে ৪৩ রান করে তিনিই দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তাঁর ইনিংসে ছিল লড়াইয়ের চেষ্টা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান আসে পেসার মোহাম্মদ আব্বাসের ব্যাট থেকে।
চার পরিবর্তন নিয়ে তৃতীয় টেস্টে একাদশ সাজিয়েছিল পাকিস্তান। তিন ক্রিকেটারের অভিষেকও হয়। তবে শুরু থেকেই ইংল্যান্ডের পেসারদের তোপে পড়ে পাকিস্তান।
তৃতীয় ওভারেই সাইম আইয়ুবকে শূন্য রানে ফেরান রবিনসন। এরপর আর্চারের গতির কাছে পরাস্ত হন আজান আওয়াইস। আব্দুল্লাহ শফিককেও ফেরান রবিনসন।
আর্চারের বলে হকচকিয়ে ব্যাট চালিয়ে শান মাসুদ বিদায় নিলে মাত্র ২৬ রানেই পাকিস্তান হারায় ৪ উইকেট। দলের সবচেয়ে বড় ভরসা হিসেবে থাকা অধিনায়ক বাবর আজমও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৫তম ওভারে তাঁর অফ স্টাম্প উড়িয়ে দেন টং।
পাকিস্তানের তিন অভিষিক্ত-গাজী ঘোরি, মোহাম্মদ ইমরান ও রেজাউল্লাহ-কেউই প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। একের পর এক উইকেট হারিয়ে দ্রুতই চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা।
শেষ দিকে সাউদ শাকিল ও মোহাম্মদ আব্বাস কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে দলের সবচেয়ে বড় জুটি আসে একেবারে শেষ উইকেটে। আব্বাস ও আলি মিলে যোগ করেন ২৬ রান। তাতেই কোনোরকমে ১৩৩ রানে পৌঁছায় পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস।


