শেষ মুহূর্তের গোলে সিনসিনাতির সঙ্গে ড্র ইন্টার মায়ামির

ম্যাচের শেষ দিকে যেন হারের শঙ্কায় ডুবছিল ইন্টার মায়ামি। ৮৬ মিনিটে ১-২ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল লিওনেল মেসির দল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে রিকেলমে ফিলিপির প্রথম মেজর লিগ সকার (এমএলএস) গোল বাঁচিয়ে দিয়েছে তাদের।

বুধবার রাতে এফসি সিনসিনাতির সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে ইন্টার মায়ামি। এর আগে লুইস সুয়ারেজের গোলে এগিয়ে গেলেও শেষ ১০ মিনিটে দুই গোল হজম করে বিপাকে পড়ে স্বাগতিকেরা। শেষ পর্যন্ত ফিলিপির ৯০ মিনিটের গোলে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।

সুয়ারেজের গোলে এগিয়ে মায়ামি

ম্যাচের ৬১ মিনিটে সুয়ারেজের গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি। বক্সের বাঁ দিক থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল জালে পাঠান উরুগুইয়ান তারকা। তখন মনে হচ্ছিল, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়বে মেসির দল। কিন্তু শেষ ১০ মিনিটে দৃশ্যপট বদলে দেয় সিনসিনাতি।

৮০ মিনিটে দুর্দান্ত এক শটে সমতা ফেরান কেনজি এমবোমা ডেম। এরপর ৮৬ মিনিটে স্যামুয়েল গিদির গোলে এগিয়ে যায় সিনসিনাতি। পাল্টা আক্রমণ থেকে বক্সের সামনে বল পেয়ে নিজের প্রথম এমএলএস গোলটি করেন তিনি। মুহূর্তেই জয় থেকে দূরে সরে যায় মায়ামি। নিজেদের মাঠে সমর্থকদের সামনে পরাজয়ের শঙ্কা জোরালো হয়ে ওঠে।

শেষ মুহূর্তের গোলে সিনসিনাতির সঙ্গে ড্র ইন্টার মায়ামির
গোলের পর লুইস সুয়ারেজ

হাল ছাড়েনি মেসির দল

তবে হাল ছাড়েনি মেসির দল। ম্যাচের ৯০ মিনিটে বক্সের বাঁ দিক থেকে শট নিয়ে সমতা ফেরান ফিলিপি। এমএলএসে এটি তাঁর প্রথম গোল। সুয়ারেজের গোলের জায়গার কাছাকাছি অবস্থান থেকেই বল জালে পাঠিয়ে মায়ামিকে স্বস্তি এনে দেন এই তরুণ। শেষ দিকে সিনসিনাতির এভান্দের জয়ের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। বক্সের কাছাকাছি থেকে তাঁর নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন মায়ামির রক্ষণভাগের খেলোয়াড় ইয়ান ফ্রে। এরপর সিনসিনাতির কর্নার থেকেও বিপদ তৈরি হয়নি। ফলে ২-২ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।

তৃতীয় স্থানে মায়ামি

ড্রয়ের পরও ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে মায়ামি। একই রাতে নিউ ইংল্যান্ড রেভল্যুশন ৩-২ গোলে রেড বুল নিউইয়র্ককে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ৩২ ম্যাচে নিউ ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৫৮, মায়ামির চেয়ে দুই বেশি। দুই দলের সামনে এখন সরাসরি লড়াইয়ের সুযোগ। রোববার নিউ ইংল্যান্ডের মাঠে মুখোমুখি হবে তারা। ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থান নির্ধারণের পাশাপাশি এমএলএস কাপের প্লে-অফে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করার লড়াইয়েও ম্যাচটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

নিয়মিত মৌসুমে মায়ামির বাকি দুই ম্যাচের প্রথমটি নিউ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর ৭ নভেম্বর নিজেদের মাঠে শার্লটের মুখোমুখি হবে দলটি। ফলে রবিবারের ম্যাচে জয় পাওয়া মেসিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, ড্র করেও প্লে-অফে জায়গা নিশ্চিত করার দৌড়ে টিকে আছে সিনসিনাতি। বুধবারের ম্যাচে জিততে পারলে এবং কলম্বাসের বিপক্ষে ডালাস জয় পেলে তাদের প্লে-অফের সমীকরণে সুবিধা হতো। শেষ পর্যন্ত জয় না পেলেও মায়ামির মাঠ থেকে পাওয়া এক পয়েন্ট তাদের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে।

spot_imgspot_img
spot_img

Related Articles