সেরি আ’তে এসি মিলান শিরোপা জিততে পারবে কিনা তা সময়ই বলে দেবে। তবে শীর্ষে থাকা ইন্টার মিলানের সঙ্গে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছে দলটি। শনিবার রাতে তারা তোরিনোকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ ম্যাচটি প্রথমার্ধে ১-১ গোলে অমীমাংসতি ছিল।
এ জয়ের ফলে শীর্ষে থাকা ইন্টার মিলানের সঙ্গে এসি মিলানের ব্যবধান কমে পাঁচ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ৩০ ম্যাচ শেষে এসি মিলানের পয়েন্ট ৬৩। ইন্টার মিলানের পয়েন্ট ৬৮। তারা অবশ্য একটা ম্যাচ কম খেলেছে।
প্রতিপক্ষের মাঠে খেলায় হারলেও তোরিনো দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল। বিশেষ করে প্রথমার্ধে। গোল হজমের পরপরই সমতা ফিরিয়েছিল তারা। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য স্বাগতিক দলের ধাক্কা সামলাতে পারেনি সফরকারীরা। বিরতির পর মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল হজম করে তারা। শেষ পর্যন্ত এক গোল পরিশোধ করলেও তা হার এড়ানোর জন্য মোটেও যথেষ্ঠ ছিল না।
৩৬ মিনিটে প্রথম গোল করে পাভলোভিচ। এসি মিলানের ডিফেন্ডার পাভলোভিচের গোলটি সত্যিই দর্শনীয়। প্রায় ২৫ মিটার দূর থেকে নেওয়া তার শট থামানোর সুযোগই পাননি তোরিনোর গোলরক্ষক। তার নেওয়া চমৎকার হাফ ভলি শটটি বিদু্যত গতিতে জালে আছড়ে পড়ে। বলের গতি দেখে তোরিনো গোলরক্ষক বলের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু বলের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারেননি। তার হাত বলের কাছে পৌঁছানোর আগেই বল জাল কাঁপিয়ে দেয়। তোরিনো বিরতির আগেই এ গোল ফিরিয়ে দেয়। জিওভান্সি সিমিওনে করেন গোলটি।
জিওভান্নির গোলে সমতা
জিওভান্নির করা গোলের সুবাদে তোরিনো ম্যাচে সমতা আনলেও দ্বিতীয়ার্ধে আবার পিছিয়ে পড়ে। বিরতির সময় এসি মিলানের কোচ মাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রি’র পরামর্শে খেলোয়াড়রা একটু বেশিই উজ্জ্বীবিত হয়ে উঠেছিল। আর তাই তো বিরতির পর খেলা শুরু হতে না হতেই জোড়া গোলের দেখা পায় তারা।
দুই মিনিটে দুই গোল মিলানের
অড্রিয়েন র্যাবিয়ট ৫৪ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। পুলিসিকের ক্রস থেকে পাওয়া বল হাঁটু দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে দেন। দুই মিনিট পর ইউসুফ ফোপানা গোল করেন দলের জয় নিশ্চিত করেন। ম্যাচের শেষ সময়ে পেনাল্টি থেকে তোরিনো একটা গোল পরিশোধ করে।
ক্রেমোনেজ ও উদিনিসের জয়
এদিকে একই রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ক্রেমোনেজ ও উদিনিসে জয় পেয়েছে। ক্রেমোনেজ ২-০ গোলে পারমাকে হারিয়েছে। একই ব্যবধানে জয় পেয়েছে উদিনিসে। তারা হারিয়েছে জেনোয়াকে।
