এখন আগের বছরের বিপিএলের টাকা হাতে পায়নি জাতীয় দলের পেসার শরিফুল ইসলাম। বিপিএলের দ্বাদশ আসরে শরিফুল ইসলাম খেলেছেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের হয়ে, যে দলের মালিকানায় ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি। তাই পারিশ্রমিক পাওয়া নিয়ে ভাবতে হয়নি ক্রিকেটারদের। প্রথম রোজার দিনই শরিফুল ইসলামরা পেয়ে গেছেন পুরো টাকা। তবে একইসাথে এক আক্ষেপের কথাও শোনালেন জাতীয় দলের ডার হাতি এই পেসার।
বিপিএলের একাদশ আসরে, অর্থাৎ গত আসরের আগের আসরে শরিফুল খেলেছিলেন চিটাগং কিংসের হয়ে। দলকে ফাইনালে তুলতেও রেখেছিলেন বড় ভূমিকা। কিন্তু এখনও সেই আসরের পারিশ্রমিক বকেয়া রয়ে গেছে, এরই মাঝে পরবর্তী আসরের সব পারিশ্রমিক পেয়ে গেছেন।
সেই বিষয়ে শরিফুল ইসলাম বলেন,‘ সত্যি বলতে এবার সবচেয়ে ভালো গেছে। এর আগে সুমন স্যারের (হাবিবুল বাশার সুমন, চট্টগ্রাম রয়্যালসের পরামর্শক) সাথে খুলনা টাইটান্সে একবার ছিলাম। এই দুইবারই খুব ভালো ছিল। গত বছরের, মানে এবারের আগের আসরের পেমেন্ট এখনও পাওনা। তো সব মিলে এবার আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো লাগছে (এবারের পারিশ্রমিক পেয়ে)।’
এ সময় শরিফুলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, আগামী বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএলে কয়টি দল দেখতে চান তিনি। নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যায় উত্তর না দিলেও শরিফুল জানান, ‘দল বৃদ্ধি চান তিনিও। তবে তা যেন হয় মানসম্পন্ন দল। উদাহরণ হিসেবে দেখালেন বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে।
এছাড়া জাতীয় দলের এই পেসার আরও বলেন, ‘এটা তো আমি বলতে পারব না। আমরা তো চাই দল বাড়ুক। তবে রাজশাহী যেভাবে দল গড়েছে এমন দল যেন হয়। তাহলে সবাই খেলতে আগ্রহী থাকবে।’
উল্লেখ্য’ চমক দিয়ে বিপিএলের১২তম আসরে ফাইনালে উঠেছিল চট্টগ্রাম। তবে ফাইনাল জমে উঠেনি। একপেশে শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হেরে শিরোপার স্বপ্ন ভঙ্গ হয় চট্টগ্রাম রয়্যালসের। ফাইনালে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে জিতে শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩
















