কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা চাইলেন আমিনুল হক

কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা চাইলেন আমিনুল হক

কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা চাইলেন আমিনুল হক

দায়ীত্ব নেয়ার পর বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। নানামুখী তৎপরতা শুরু করেছেন এবং এর পাশাপাশি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা চাইলেন আমিনুল হক । প্রথমে ক্রীড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর বসেছিলেন ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে। শুনেছেন তাদের সমস্যা ও চাহিদার কথা। সর্বশেষ বুধবার, তৃতীয় দফায় সভা করেছেন ব্যাংক ও বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের কর্তাদের সঙ্গে।

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে বিভিন্ন ব্যাংক এর সাথে ফেডারেশনগুলোর সাথে সম্পৃক্ত করে দিয়েছিলেন সেই সময়ে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন, বিওএ’র প্রেসিডেন্ট জেনারেল মঈন উ. আহমেদ। এই উদ্যোগের ফলে ফেডারেশনগুলো আর্থিক নিশ্চয়তা পেয়েছিল। সেই উদ্যোগ এখনও কোন কোন ফেডারেশন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ধরে রেখেছে। সেই ধারা ফিরিয়ে আনতে চান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সভায় অংশ নেওয়া ব্যাংক প্রতিনিধিরা তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন।

সভা শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আমিনুল হক বলেন,

সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে আসার অনুরোধ করেছি।

এই প্রসঙ্গে আমিনুলের মন্তব্য,

অর্থের অভাবে দেশে কোনো খেলা যেন প্রতিকূলতার মুখোমুখি না হয়, সে লক্ষ্যে ফেডারেশনগুলোর জন্য স্থায়ী আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সে জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ অপিরহার্য। এ ক্ষেত্রে যেসব ফেডারেশন মাঠে পারফরম্যান্সে ভালো করছে এবং দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনছে, তাদের পৃষ্ঠপোষকতার ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

অতীত প্রসঙ্গ টেনে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান,

ব্যাংকগুলোর সামাজিক দায়বদ্ধতা খাত থেকে ক্রীড়াঙ্গনের জন্য ব্যয় করতে তিনি উৎসাহ দিয়েছেন। ব্যাংকগুলোর সামাজিক দায়বদ্ধতা খাতের সহযোগিতা পেলে দেশের ক্রীড়া ফেডারেশনগুলো আরো পেশাদারির সঙ্গে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।

গত রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিকদের সাথে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মিলনায়তনে মতবিনিময় করেন আমিনুল হক। সাংবাদিকরা তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। বিদ্যমান সংকট কাটিয়ে উঠতে পরামর্শ দেন তারা। সাফল্যের ভিত্তিতে ফেডারেশনগুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করার বিষয়েও জোরালো বক্তব্য রাখেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা।

পরের দিন সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোর সাথে বৈঠক করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। ২৪ ফেব্রুয়ারি আলাদা করে বসেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল। আর গতকাল বসলেন বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক কর্মকর্তাদের সঙ্গে।

Exit mobile version