যে কোটায় ক্রীড়ামন্ত্রী হচ্ছেন আমিনুল হক

যে কোটায় ক্রীড়ামন্ত্রী হচ্ছেন আমিনুল হক

যে কোটায় ক্রীড়ামন্ত্রী হচ্ছেন আমিনুল হক। অবশেষে গুঞ্জনই সত্যি হলো। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হেরেও বিএনপি সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক সফল অধিনায়ক আমিনুল হক।

টেকনোক্র্যাট কোটায় তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তার বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে। আজ বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

বিএনপির ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ক্রীড়া ক্ষেত্রকে পেশা ও জীবিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, তার প্রতিফলন হিসেবেই একজন পেশাদার ক্রীড়াবিদকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আমিনুল হক কেবল বাংলাদেশের একজন তারকা ফুটবলারই নন, তিনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা গোলরক্ষক হিসেবেও পরিচিত। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী বাংলাদেশ দলের অন্যতম এই কাণ্ডারি এবার দেশের ক্রীড়া প্রশাসন ঢেলে সাজানোর দায়িত্ব পাচ্ছেন।

তবে এবারের ঢাকা-১৬ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিলেও আমিনুল হক জয়ী হতে পারেননি। ফুটবল থেকে বিদায় নেওয়ার পর গত দেড় দশক ধরে রাজপথে দলের প্রতি তার অবিচল নিবেদন এবং রাজপথের লড়াইয়ে তার সক্রিয় ভূমিকার কথা বিবেচনা করে তাকে মন্ত্রিসভায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মাঠের বাস্তব সমস্যাগুলো বুঝে ক্রীড়াঙ্গনে সুশাসন ও স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতেই তাকে এই মন্ত্রণালয়ের জন্য যোগ্য মনে করা হচ্ছে। বিএনপির ইশতেহারে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন এবং তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় অন্বেষণের যে মহাপরিকল্পনা রয়েছে, আমিনুল হকের নেতৃত্বে তা নতুন গতি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে নির্বাচনী প্রচারণার সময় আমিনুল হক জানিয়েছিলেন, তার দল ক্ষমতায় এলে ক্রীড়া অবকাঠামোর চেয়েও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে খোদ ক্রীড়াবিদদের ওপর।

উল্লেখ্য’ আজ মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের জন্য ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন আমিনুল হক। আমিনুল হকের এই নিয়োগকে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের মানুষ ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

Exit mobile version