বিসিবির মিডিয়া কমিটির পদ হারিয়ে পরিচালক থেকেই পদত্যাগ করলেন আমজাদ হোসেন। বর্তমান বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ ছয় মাস হওয়ার আগেই এই নিয়ে দুজন পরিচালক পদত্যাগ করলেন। ঈদের ছুটির মাঝেই এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
এক দিন আগেই বোর্ডের মিডিয়া কমিটির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় আমজাদ হোসেনকে। পরে তিনি সরে দাঁড়ান বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ থেকেই। সব মিলে বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের বয়স ছয় মাস হওয়ার আগেই পদত্যাগ করলেন এই নিয়ে দুজন পরিচালক। আমজাদের আগে বোর্ড ছেড়েছেন ইশতিয়াক সাদেক। রবিবার রাত সাড়ে ১১টার পর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, বোর্ডের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে আমজাদ হোসেনের
জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মো. মোখছেদুল কামালকে। এর পরপরই ই-মেইলে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন আমজাদ। তবে পদত্যাগপত্রে ব্যক্তিগত কারণের কথাই উল্লেখ করেছেন এই সংগঠক।
এ আমজাদ বলেন, ‘আমাকে তো বলা হয়নি কী কারণে একদম, আমাকে বলা হয়েছে বোর্ডের সিদ্ধান্ত, বোর্ডের সিদ্ধান্তের প্রতি আমার সম্মান থাকবে। সম্ভবত অনলাইন কলে আলোচনা করা হয়েছে এটা।’
উমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে থাকায় দীর্ঘদিন বোর্ডের কোনো কাজের সাথে যোগাযোগ ছিল না আমজাদের। বিষয়টি উল্লেখ করে আমজাদ বলেছেন, ‘গত ১০ দিন আমি কারও সাথে যোগাযোগে ছিলাম না। আমি আসলে বলতে পারব না কী হয়েছে। আমি উমরাহতে ছিলাম। সেখানে একটা ইনটেনশন নিয়ে গিয়েছেন। অবশ্যই কাজে যুক্ত হতে চাইবেন না। আমি এটা নিয়ে বলতে পারছি না।’
সর্বশেষ বিসিবি নির্বাচনে ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিসিবি পরিচালক হয়েছিলেন আমজাদ হোসেন। কমিটি ভাগ করতে গিয়ে মিডিয়া কমিটির প্রধান করা হয়েছিল আমজাদকে। ৬ মাস কাজও করেছেন আমজাদ। অনেক সংবাদ সম্মেলনে কথাও বলেছেন।
বোর্ডের প্রতি বার্তা দিতে গিয়ে বিদায়ী পরিচালক আমজাদ বলেছেন, ‘অবশ্যই চাই যেন বোর্ড ভালোভাবে পারফর্ম করে এগিয়ে যায়। আপনারা বোর্ডের ভালো কাজ তুলে ধরবেন সবসময় যে সমালোচনা করবেন এমন না। ভালো কাজগুলোও তুলে ধরবেন।’
কাজে কোনো সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আমজাদ বলেন, ‘না না আমি আর কোনো সমস্যা ফেইস করিনি। আমি আমার কাজের সময়ে কাজ উপভোগ করেছি। এটা সম্মানের ব্যাপার ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটকে সার্ভ করা।’
