বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ নিয়ে বেশ জটিতলার মুখোমুখি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত অবস্থার কারণে ফিনালিসিমা বাতিল হয়ে গেছে। ফলে একটা শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ হারিয়েছে মেসিরা। এখন মেসিরা মৌরাতানিয়া ও জাম্বিয়ার মুখোমুখি হবে।
স্পেনের পাশাপাশি গুয়েতেমালার সঙ্গে খেলার কথা ছিল আর্জেন্টিনার। কিন্তু সে ম্যাচটিও বাতিল হয়েছে। বুয়েন্স আইরেসে ৩১ মার্চ প্রীতি ম্যাচে গুয়াতেমালার মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটা সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২৭ মার্চ গুয়াতেমালার একটা প্রীতি ম্যাচ রয়েছে। ইতালিতে সে ম্যাচে গুয়াতেমালার প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া। সে কারণে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে গুয়াতেমালার বিপক্ষে ম্যাচটি ফিফার অনুমোদন পায়নি। ম্যাচটি তাই বাতিলই করা হয়েছে।
এদিকে আর্জেন্টিনার সংবাদ মাধ্যমে টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, একই ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতিতে দুটি আলাদা মহাদেশে খেলার নিয়ম না থাকা গুয়াতেমালার বিপক্ষে ম্যাচটি ফিফার অনুমোদন পায়নি।
গুয়াতেমালার বিপক্ষে ম্যাচ বাতিল হওয়ায় একই দিনে বুয়েন্স আইরেসে বোকা জুনিয়র্সের মাঠ লা বোমবোনেরা স্টেডিয়ামে মৌরিতানিয়ার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। ৩১ মার্চ একই ভেনু্যতে দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামবে আর্জেন্টিা। এ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ জাম্বিয়া। বিশ্বকাপের আগে দেশের মাটিতে এটাই আর্জেন্টিনার শেষ ম্যাচ।
আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন (এএফএ)’র বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখতে দেশ ছাড়ার আগে সমর্থকদের বিদায় জানাতে মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে জাতীয় দল। ভিন্ন এক বিবৃতিতে এএফএ জানায়, দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনা জাম্বিয়ার মুখোমুখি হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে কোনো আফ্রিকান প্রতিপক্ষ দলের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার তৃতীয় ম্যাচ এটি। এর আগে গত নভেম্বরে অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে খেলেছিল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। সে ম্যাচে আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে জয় পায়। মৌরিতানিয়া ও জাম্বিয়া বিশ্ব ফুটবল র্যাংকিংয়ে বেশ দুর্বল দল। মৌরিতানিয়ার স্থান ১১৫তম, আর জাম্বিয়া রয়েছে ৯১তম স্থানে। ফলে এই দুই ম্যাচ থেকে বিশ্বকাপের আগে কতটুকু উপকৃত হবে তা সময়ই বলে দেবে।
কোনো ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে খেলছে না আর্জেন্টিনা
এই প্রথম আর্জেন্টিনা কোনো ইউরোপীয় দলের মুখোুমখি না হয়ে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে। ২০২২ সালে ইউরোপের দল ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আর্জেন্টিনা এই চার বছরে আর কোনো ইউরোপীয় দলের মুখোমুখি হয়নি। এই প্রথম তারা দুই বিশ্বকাপের মধ্যেবর্তী সময়ে কোনো ইউরোপীয় দলের মুখোমুখি হয়নি। ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর আর্জেন্টাইন ফুটবলে এমন নজির এর আগে দেখা যায়নি।
