হঠাৎ করে ছন্দপতন আতলেতিকো মাদ্রিদের। দিন কয়েক আগে কোপা দেল রে’র প্রথম লেগের ম্যাচে বার্সেলোনাকে উড়িয়ে দিয়েছে দলটি। হারিয়েছে ৪-০ গোলে। তিনদিন পর রবিবার সেই দলটিকে ঘরোয়া লিগে বড় ধাক্কা হজম করতে হয়েছে। অ্যাওয়েতে রায়ো ভায়েকানোর কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে।
এই হারের ফলে আতলেতিকো মাদ্রিদ লা লিগায় বড় হোঁচট খেয়েছে। দলটির এ মৌসুমে শিরোপা জয়ের তেমন সম্ভাবনা নেই। বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদকে শীর্ষ দুই স্থান ছেড়ে দিয়ে তৃতীয় স্থানের জন্য লড়ছে তারা। তবে এই হারের ফলে তৃতীয় স্থান ধরে রাখা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়তে পারে। ২৪ ম্যাচ শেষে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে তারা বর্তমানে চতুর্থ স্থানে নেমে এসেছে। সমান পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভিয়ারিয়াল। দুই দলের মাঝে ব্যবধানটা আরও বড় হতে পারে। কেননা ভিয়ারিয়াল একটা ম্যাচ কম খেলেছে। পরবর্তী ম্যাচে তারা জয় পেলেই আতলেতিকোর সঙ্গে তাদের ব্যবধান বেড়ে যাবে।
বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদ পয়েন্ট টেবিলে নেতৃত্ব দিচ্ছে। ২৪ ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ ৬০ পয়েন্ট। ৫৮ পয়েন্ট বার্সেলোনার। তারা একটা ম্যাচ কম খেলে এই পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। আজ বার্সেলোনা জিরোনার বিপক্ষে মাঠে নামবে। এ ম্যাচ জিতলেই তারা আবার শীর্ষে চলে আসবে।

রায়ো ভায়েকানোর জন্য এটা দারুণ এক জয়। আতলেতিকো মাদ্রিদ তাদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। মাঠে নামলেই হতাশ হয়ে ফিরতে হতো তাদের। দীর্ঘ ১৩ বছর পর আতলেতিকোর বিপক্ষে জয় পেল তারা।
পয়েন্ট টেবিলে দুই দলের মাঝে পার্থক্য বিস্তর। আতলেতিকোর স্থান উপরের দিকে। আর রায়ো ভায়েকানো রেলিগেশনের জন্য লড়ছে। ২৩ ম্যাচ থেকে তাদের পয়েন্ট ২৫।
আতলেতিকো মাদ্রিদ কোচ দিয়াগো সিমিওনে নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মেরেছেন। কোপা দের রেতে বার্সেলোনার বিপক্ষে বড় জয় যেনো তাকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল। সে কারণে এ ম্যাচে ব্যাপক পরিবর্তন এনে দল সাজিয়েছিলেন। একটা বা দুটো নয়, ৯টি পরিবর্তন এনেছিলেন। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। প্রথমার্ধেই তারা দুই গোল হজম করে। এ অর্ধের শেষ পাঁচ মিনিটে সমর্থকদের দুইবার গোল উৎসব করার সুযোগ করে দেন ফ্রান পেরেজ ও অস্কার ভ্যালেটিন।
৪০ মিনিটের সময় পেরেজ গোল করেন। বিরতির আগেই ব্যবধান দ্বিগুন করেন ভ্যালেটিন। বিরতির পর অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ ম্যাচে ফেরার আপ্রাণ চেস্টা করেছে। একের পর এক আক্রমণ রচনা করেছে। কিন্তু ব্যবধান কমাতে পারেনি, বরং ৭৬ মিনিটে আতলেতিকো মাদ্রিদের গোলরক্ষককে আরও একবার জাল থেকে বল কুড়িয়ে আনতে হয়। দুর্ভাগ্য রায়ো ভায়েকানোর নিকো গনজালেসের। একাধিকবার সুযোগ তৈরি করেও তিনি স্কোরশিটে নাম লেখাতে পারেননি।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩











