টিনএজ গোলরক্ষক কিনস্কির ব্যর্থতায় আতলেতিকোর বড় জয়

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

টিনএজ গোলরক্ষক কিনস্কির ব্যর্থতায় আতলেতিকোর বড় জয়

আতলেতিকোর বড় জয় ও কিনস্কির ব্যর্থতা।

টিনএজ গোলরক্ষক কিনস্কির ব্যর্থতায় আতলেতিকোর বড় জয় , উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টটেনহাম হস্পারের মিশন প্রায় শেষ পর্যায়ে। মঙ্গলবার রাতে রাউন্ড অব সিক্সটিনের প্রথম লেগে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে তারা একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়েছে। অ্যাওয়েতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৫-২ গোলে হেরেছে তারা। যদিও ফিরতি লেগের ম্যাচ তারা নিজেদের মাঠে খেলবে। সেক্ষেত্রে তারা একটু বাড়তি সুবিধা পেলেও এই ব্যবধানে এড়িয়ে পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়া তাদের জন্য কঠিনই হবে।

কোচের একটা ভুল টটেনহাম হস্পারের বড় হারের জন্য দায়ী মনে করা হচ্ছে। কঠিন এ ম্যাচে কোচ গোলবারের নিচে দাঁড় করিয়েছিলেন অ্যান্তোনিন কিনস্কি। মাত্র ১৬ বছর বয়সের কিনস্কি এত বড় ম্যাচের চাপ নিতে পারেননি। তাইতো তাকে জাল থেকে বল কুড়িয়ে আনার কাজেই বেশি ব্যস্ত থাকতে হয়েছে।মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যে আতলেতিকো চারবার ইংলিশ ক্লাবটির জালে বল ফেলে।

হুলিয়ান আলভারেজ করেন জোড়া গোল। অন্য তিন গোল করেন মার্কোস লরেন্তো, অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান ও রবিন লে নরমাড। টটেনহামের হয়ে ব্যবধান কমান পেড্রো পোরো ও ডমিনিক সোলাঙ্কে।

টিনএজ গোলরক্ষক কিনস্কির ব্যর্থতায় আতলেতিকোর বড় জয় । ছবি: সংগৃহীত

ম্যাচের বয়স ছয় মিনিট হতে না হতেই গোলের দেখা পায় স্প্যানিশ ক্লাবটি। মার্কোস লরেন্তো করেন গোলটি। এ গোলে টটেনহাম গোলরক্ষকের কিনস্কির অবদান বেশি। একটা বল শট নিতে গিয়ে কিনস্কি পড়ে যান। আর তাে থেকে আতলেতিকো গোল পেয়ে যায়।

দ্বিতীয় গোল পেতে আতলেতিকোকে খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। এবারও সেই ব্যাকপাস। তবে এবার গোলরক্ষক নয়, এক ডিফেন্ডার ব্যাকপাস ক্লিয়ার করতে পারেননি। বলে শট নিতে গিয়ে তিনিও পড়ে যান। আর সুযোগটি কাজে লাগান গ্রিজম্যান। আতলেতিকো দুই গোলে এগিয়ে যায়।

টটেনহামের রক্ষণভাগ ও গোলকিপিং বিপর্যয়

টটেনহামের তৃতীয় গোল হজমও অনেকটা একই ধরণের। এবারও কিনস্কি শট নিতে গিয়ে পড়ে যান। সুযোগ বুঝে বল জালে জড়িয়ে দেন হুলিয়ান আলভারেজ। মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে তিন গোল হজমের পর কোচ আর কিনস্কির ওপর আস্থা রাখতে পারেননি। তাকে তুলে নেন। বদলি গোলরক্ষক গাগলিয়েলমো ভাকিরিও’র শুরুর স্মৃতিটা যে খুব সুখকর ছিল তা নয়। এসেই গোল হজম করেন তিনি। বল ফিরিয়ে দিলেও তার আগে বল গোল লাইন অতিক্রম করায় রেফারি গোলের বাঁশি দেন। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে আলভারেজ আরও এক গোল করেন। এত আতলেতিকোর বড় জয় নিশ্চিত হয়।

Exit mobile version