জয়ের স্বপ্ন নিয়ে সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিন প্রথম সেশনে দুই উইকেট পেল বাংলাদেশ । এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত লাঞ্চ বিরতিতে পাকিস্তানের দুই উইকেটে ১০১ রান। জিততে পাকিস্তানের আর ৮ উইকেটে চাই। আর বাংলাদেশ এগিয়ে আছে ৩৩৬ রানে। বাবর আজম ২৪ ও শান মাসুদ ৪১ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন।
এর আগে দিনে নিজের দ্বিতীয় ওভারে উইকেট নেন নাহিদ রানা। তার চমৎকার ডেলিভারিতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন আব্দুল্লাহ ফাজাল। অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বলে ব্যাট পেতে দিয়েছিলেন বাঁহাতি ওপেনার। স্কয়ার দিয়ে পাঠাতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নাহিদের গতির জন্য ঠিকঠাক খেলতে পারেননি। দ্রুত গতিতে বল যায় গালিতে। সেখানে দারুণ ক্যাচ নেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
ভাঙল ৬২ বল স্থায়ী ২৭ রানের উদ্বোধনী জুটি। ২৮ বলে এক চারে ৬ রান করেন ফাজাল। ১১ ওভারে পাকিস্তানের রান তখন ১ উইকেটে ২৭। ক্রিজে আজান আওয়াইজের সঙ্গী শান মাসুদ। এরপর নতুন জীবন পান মাসুদ। নাহিদ রানার প্রথম চার বলে দুটি চার মারেন শান মাসুদ। পরের বলেই ফিরে যেতে পারতেন তিনি। বেঁচে গেলেন একটুর জন্য।
প্রথম সেশনে পাকিস্তানের দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দিল বাংলাদেশ
ব্যাটের কানায় লেগে বল যায় দ্বিতীয় স্লিপে। সামনের দিকে ঝাঁপ দিয়ে একটুর জন্য বলের নাগাল পাননি তানজিদ হাসান। পরের ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজকে আক্রমণে এনেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। নিজের প্রথম ওভার মেডেন নিয়েছেন মিরাজ। নাহিদ রানার মতো নিজের দ্বিতীয় ওভারে উইকেট পেলেন মেহেদী হাসান মিরাজও। প্রথম সেশনে দুই ওপেনারের উইকেট হারাল পাকিস্তান।
অফ স্পিনারের বল পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন আজান আওয়াইজ। স্পিন করে ভেতরে ঢুকে যাওয়া বল ব্যাটে খেলতে পারেননি তিনি। পায়ে লাগলে জোরাল আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। শান মাসুদের সঙ্গে কথা বলে রিভিউ নেন আজান। হিটিং ছিল আম্পায়ার্স কল, তাই টিকে যায় রিভিউ। শুরুতে আম্পায়ার আউট দেওয়ায় ফিরে যান আজান। ভাঙে ৩৪ বল স্থায়ী ১৪ রানের জুটি।
৪৯ বলে দুই চারে ২১ রান করেন আজান। ১৬ ওভারে পাকিস্তানের রান ২ উইকেটে ৪১। ক্রিজে মাসুদের সঙ্গী বাবর আজম। তবে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে মাসুদ-বাবরের জুটিতে পঞ্চাশ তুলে নিয়েছে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
- বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৭৮
- পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ২৩২
- বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৩৯০
- পাকিস্তান ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ৪৩৭)
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩



















