ফিফা প্রীতি ম্যাচে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ভিয়েতনামের কাছে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ভিয়েতনাম, যার ফল তারা পেয়ে যায় প্রথমার্ধেই। তিনটি গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও গোল শোধ করতে পারেনি, ফলে প্রথমার্ধের লিড নিয়েই জয় নিশ্চিত করে ভিয়েতনাম।
ম্যাচের শুরুটা বাংলাদেশের জন্য ছিল হতাশাজনক। খেলার মাত্র অষ্টম মিনিটেই গোল হজম করে দলটি। সতীর্থের কাছ থেকে বল পেয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জাল খুঁজে নেন তুয়ান হাই। এই গোলের পর আরও চাপে পড়ে বাংলাদেশ, আর ভিয়েতনাম আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয়।
১৭তম মিনিটে অবশ্য দারুণ এক সেভ করে দলকে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ। ভিয়েতনামের এনগুয়েন হোয়াং-এর জোরালো ভলি রুখে দেন শ্রাবণ। তবে সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মাত্র এক মিনিট পরই আবারও গোল হজম করে বাংলাদেশ।
১৮তম মিনিটে একটি সেট-পিস থেকে সুযোগ কাজে লাগান দো দুই মাহন। ডিফেন্সের ভুলে বল পেয়ে সহজেই গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। এরপরও আক্রমণ থামায়নি ভিয়েতনাম, বরং আরও সংগঠিত ফুটবল খেলতে থাকে তারা।
প্রথমার্ধের শেষদিকে এসে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের আরেকটি ভুলের সুযোগ নেয় ভিয়েতনাম। ৩৮তম মিনিটে বক্সে ঢুকে পড়েন এনগুয়েইন হাই লং। বাংলাদেশের ডিফেন্ডার তারিক কাজির ভুলকে কাজে লাগিয়ে ডানদিক দিয়ে নিচু শটে ভিয়েতনামের হয়ে ম্যাচের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি, যা ম্যাচের ফল অনেকটাই নির্ধারণ করে দেয়।
দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ কিছুটা সংগঠিত হয়ে খেলার চেষ্টা করে এবং আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে গোলের দেখা না পাওয়ায় ব্যবধান আর কমানো সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, ভিয়েতনামও নিজেদের লিড ধরে রাখতে মনোযোগী ছিল এবং শেষ পর্যন্ত ৩-০ ব্যবধানেই ম্যাচ শেষ করে।
প্রথমার্ধে ৪-৩-৩ এ খেলা বাংলাদেশ দ্বিতীয়ার্ধে ফরমেশনে পরিবর্তন আনে। ৫-৩-২ ফরমেশনে খেলে ভিয়েতনামকে রুখে দেয় তারা।
