শিমলার পথে বাংলাদেশ বাংলাদেশ যুব টেবিল টেনিস দল

সাউথ এশিয়ান জুনিয়রে অংশ নিতে শিমলার পথে বাংলাদেশ যুব টেবিল টেনিস দল

সাউথ এশিয়ান জুনিয়রে অংশ নিতে শিমলার পথে বাংলাদেশ যুব টেবিল টেনিস দল

ভালো ফলাফলের প্রত্যাশায় ভারতের হিমাচল প্রদেশের শিমলার উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ যুব টেবিল টেনিস দল। দলটি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লী হয়ে শিমলায় পৌঁছাবে। আগামী ৮ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সার্কের দেশগুলো শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে।

৩০তম এশিয়ান ইয়ুথ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের বাছাইপর্ব হিসেবে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ দল

প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ বালক ও বালিকায় এবং অনূর্ধ্ব-১৯ বালক ও বালিকা দল সিঙ্গেলস, ডাবলস, মিক্সড ডাবলস এবং টিমস ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবে।

২০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন (বিটিটিএফ)- এর সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এ এম মাকসুদ আহমেদ সনেট। দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রাক্তন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ও বিটিটিএফ এর ২য় সহ-সভাপতি তাহমিনা তারমিন বিনু। কোচ হিসেবে আছেন বিকেএসপির ধনঞ্জয় শীল তীর্থ এবং আইটিটিএফ লেভেল-২ কোচ রিগ্যান বড়ুয়া।

বাংলাদেশ যুব দলের অনূর্ধ্ব-১৯ বালক দলের খেলোয়াড়রা হলেন: মোঃ নাফিজ ইকবাল (অধিনায়ক), আবুল হাসেম হাসিব, মোঃ তাহমিদুর রহমান সাকিব ও মোঃ জয় ইসলাম।

অনূর্ধ্ব-১৯ বালিকা দলের খেলোয়াড়রা হলেন: খই খই সাই মারমা (অধিনায়ক), রেশমী তনচংগ্যা, ঐশী রহমান ও নুসরাত জাহান।

অনূর্ধ্ব-১৫ বালক দলের খেলোয়াড়রা হলেন: মোঃ শাহীন আহম্মেদ (অধিনায়ক), মোঃ মিদুল রহমান, তামজিদুুল ইসলাম পরশ ও রাব্বি ইসলাম।

অনূর্ধ্ব-১৫ বালিকা দলের খেলোয়াড়রা হলেন: মোছাঃ রাফিয়া চৌধুরী (অধিনায়ক), জান্নাত ইসলাম রোজা, মোসাম্মদ জান্নাতুল রোজা ও সাবিহা আক্তার পাপিয়া।

যুব দলের মোট ১৬ জন টেবিল টেনিস খেলোয়াড়ের মধ্যে ১২ জনই বিকেএসপির বর্তমান এবং ২ জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ১ জন বাংলাদেশ সেনা বাহিনী এবং ১ জন গ্রিন টেবিল টেনিসকে প্রতিনিধিত্ব করছে। বাকি ২ জনের মধ্যে ১ জন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ও ১ জন রংপুর টেবিল টেনিস সংস্থার।

দলের প্রস্তুতি সম্পর্কে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এ এম মাকসুদ আহমেদ সনেট বলেন,

“সূচী পাওয়ার আগেই আমরা দল নির্বাচন করে বিকেএসপিতে ৩৩ দিনের একটি নিবিড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিচালনা করেছি। গত বছর কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান জুনিয়রে বাংলাদেশ ৭টি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করলেও প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন বা রানার্সআপ না হওয়ায় এশিয়ান ইয়ুথ চ্যাম্পিয়নশিপে কোয়ালিফাই করতে পারেনি। তবে এবার আমরা কোয়ালিফাইং নিয়ে খুবই আশাবাদী।”

তিনি আরও বলেন, “এবারের সাউথ এশিয়ান জুনিয়র আমাদের কয়েকজন শীর্ষ খেলোয়াড়ের জন্য শেষ টুর্নামেন্ট। আমরা বিশ্বাস করি, তারা তাদের শেষ আসরটিকে স্মরণীয় করে দেশের জন্য সম্মানজনক ফলাফল বয়ে আনবে।”

Exit mobile version